স্টাফ রিপোর্টার
জেলা প্রশাসক মো. জাহাঙ্গীর হোসেন বলেছেন, সমাজে সিভিল সোসাইটির সদস্যবৃন্দ, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ এবং জনপ্রতিনিধি যাঁরা আছেন, তাদের সকলকেই শারীরিক ভাবে দুর্বল ব্যক্তিদের পাশে থাকতে হবে। প্রতিবন্ধীরা সমাজের অবিচ্ছেদ্য অংশ।
তিনি বলেন, আমি আশা করি, প্রত্যেক উপজেলায় প্রতিবন্ধী স্কুল গড়ে উঠবে। যেখানে পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠী শিক্ষা অর্জন করবে। লেখাপড়া করে তারা চাকুরী করবে, ব্যবসা করবে।
শনিবার সকাল ১০টায় শহীদ আবুল হোসেন মিলনায়তনে জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের আয়োজনে ৩১তম আন্তর্জাতিক এবং ২৪তম জাতীয় প্রতিবন্ধী দিবস উপলক্ষে সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসক মো. জাহাঙ্গীর হোসেন আরও বলেন, গণতান্ত্রিক দেশ হিসেবে বাংলাদেশের প্রতিটি নাগরিকের সমধিকার রয়েছে। অন্তর্ভূক্তিমূলক উন্নয়নে কাউকে পিছনে রেখে দেশের সার্বিক উন্নয়ন সম্ভব নয়। আমরা জেলার সকল প্রতিবন্ধীদের নিয়ে কাজ করেছি। প্রতিবন্ধীদের লেখাপড়ার জন্য প্রতিবন্ধী স্কুল প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে।
‘অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়নের জন্য পরিবর্তনমুখী পদক্ষেপ প্রবেশগম্য ও সমতাভিত্তিক বিশ্ব বিনির্মাণে উদ্ভাবনের ভূমিকা’ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে অনুষ্ঠানে নৃত্য পরিবেশন করেন অটিস্টিক ও বুদ্ধি প্রতিবন্ধী স্কুলের শিক্ষার্থীরা।
এর আগে জেলা প্রশাসন, জেলা সমাজসেবা কার্যালয়, প্রতিবন্ধী সেবা ও সাহায্য কেন্দ্রের আয়োজনে শহরের শহীদ আবুল হোসেন মিলনায়তনের সামনে থেকে একটি বর্ণাঢ্য র্যালি বের হয়। র্যালিটি শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে আবুল হোসেন মিলনায়নে আলোচনা সভায় মিলিত হয়।
জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের উপ পরিচালক সুচিত্রা রায়’র সভাপতিত্বে এবং প্রতিবন্ধী সেবা ও সাহায্য কেন্দ্রের কনসালটেন্ট ডা. তানজিল হক’র সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রিপন কুমার মোদক, জাতীয় সমাজ কল্যাণ পরিষদের সদস্য নুরুর রব চৌধুরী, জেলা পরিষদ সদস্য ফৌজিয়ারা শাম্মি, প্রতিবন্ধী সমিতির সভাপতি নুর উদ্দিন, তৃণমূল প্রতিবন্ধী পুনর্বাসন সংস্থার সভাপতি এম তাজুল ইসলাম তারেক প্রমুখ।
আলোচনা সভা শেষে জেলার ২৭ জন প্রতিবন্ধীকে হুইল চেয়ার প্রদান করা হয়।


