‘প্রতি দিন ৪২০ হেক্টর ফসলি জমি কমছে’

স্টাফ রিপোর্টার
বিনা উদ্ভাবিত ডাল, তেলবীজ, দানাজাতীয় ফসলের সম্প্রসারণযোগ্য জাতসমূহের পরিচিতি, চাষাবাদ পদ্ধতি, বীজ প্রক্রিয়াজতকরণ এবং নতুন শস্য বিন্যাস অন্তর্ভুক্তিকরণ শীর্ষক কৃষক প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
পুষ্টি নিরাপত্তার জন্য কৃষি তাত্ত্বিক ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে ডাল, তেলবীজ এবয় দানা জাতীয় ফসলের উচ্চ ফলনশীল এবং প্রতিকূলতা সহনশীল জাত উদ্ভাবন কর্মসূচির অর্থায়নে এই কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়।
বাংলাদেশ পরমানু  কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিনা)’র উদ্যোগে বৃহস্পতিবার দুপুরে বিনা সুনামগঞ্জ উপকেন্দ্রে অনুষ্ঠিত কর্মশালায় জেলার বিভিন্ন এলাকার শতাধিক কৃষক অংশগ্রহণ করেন।
বিনা ময়মনসিংহের মূখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ও কর্মসূচি পরিচালক ড. মো. আব্দুল মালেকের সভাপতিত্বে ও বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা মো. সৈকত হোসেন ভূইয়ার পরিচালনায় প্রশিক্ষণ কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন, বিনা ময়মনসিংহের মহাপরিচালক ড. মো. আমজাদ হোসেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিনা মহাপরিচালক বলেন,‘ প্রতি বছর দেশে সাগে ৩ কোটি টন ধান উৎপাদন হয়। এর মধ্যে ১৪ লাখ টন উৎপাদন হয় শুধু হাওরে। তবে ধান উৎপাদন করা হলেও , পুষ্টি জাতীয় দানাদার খাদ্য উৎপাদনে আমরা পিছিয়ে যাচ্ছি। সার থেকে তিন গুন বেশী ধান উৎপাদন করা সম্ভব হলেও ডাল উৎপাদন কমেছে ৬৫ শতাংশ ও তেল উৎপাদন করেছে ৭৫ শতাংশ। যার কারণে আমাদের বিদেশ থেকে ডাল ও তেল আমদানী করতে হচ্ছে।  জনবহুল দেশে আমাদের প্রতিবছর ৭২ লাখ মানুষ জন্মগ্রহণ করছে। যার কারণে বসতি স্থাপনের জন্য আমাদের জমি কমছে। প্রতি দিন ৪২০ হেক্টর ও বছরে ৫৬ হাজার হেক্টর ফসলি কৃষি জমি কমছে।  তাই বিনা উচ্চ ফসলশীল জাতের উদ্ভাবন করে কম জমিতে বেশী ফসল উৎপাদনের চেষ্টা করা হচ্ছে। ’  
প্রশিক্ষণে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন বিনা ময়মনসিংহের পিএসও ড. মুনজুরুল ইসলাম, সুনামগঞ্জ সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. সালাউদ্দিন টিপু, স্বাগত বক্তব্য রাখেন বিনা সুনামগঞ্জ উপ কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা মো. মাজহারুল ইসলাম, কৃষক আবুল বাশার প্রমুখ।