বরুণ রায়ের স্মরণ সভায় বক্তারা-তাঁর আদর্শেই উজ্জীবিত হতে হবে

স্টাফ রিপোর্টার
শতাব্দীতে কমরেড বরুণ রায়ের মত মানুষ কমই আসেন। তাঁর আদর্শ চিরদিনই বেঁচে থাকবে। সকলকে বরুণ রায়ের আদর্শে উজ্জীবিত হতে হবে। প্রয়াত বিপ্লবী সাবেক সংসদ সদস্য কমরেড বরুণ রায়ের সপ্তম মৃত্যুবার্ষিকীর স্মরণসভায় এসব কথা বলেন বক্তারা।
বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় শহরের শহীদ মুক্তিযোদ্ধা জগৎজ্যোতি পাঠাগার মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত বরুণ রায়ের স্মরণ সভায় বক্তারা আরও বলেন, ‘প্রয়াত এই  বিপ্লবী নেতা সংসদ সদস্য হলেও তাঁর কোন ধন সম্পদ ছিল না। তাঁর কোন ব্যক্তিগত সহকারী ছিল না। তিনি নিজেই সকল কাজ করতেন। লুঙ্গি ও সাদামাটা জামা পড়ে ব্যাগ নিয়ে বাজার করতেন। মৃত্যুর পূর্ব পর্যন্ত সাম্যবাদের নীতি থেকে বিচ্যুত হননি। জীবনে তিনি ত্রিকাল দর্শন করেছেন বৃট্রিশ, পাকিস্তান ও স্বাধীন বাংলাদেশও তিনি মানুষের জন্য লড়েছেন জীবনের দীর্ঘ সময় জেলে কাটিয়েছেন। বহুবছর লোকচক্ষুর আড়ালে থেকে রাজনৈতিক সংগ্রাম পরিচালিত করেছেন। তিনি ভোগের রাজনীতি করেন নি, করেছেন ত্যাগের রাজনীতি।’
স্মরণ সভায় সভাপতিত্ব করেন শিক্ষাবিদ ধূর্জটি কুমার বসু। উদীচীর সাধারণ সম্পাদক জাঙ্গীর আলমের সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন, বিশিষ্ট আইনজীবী ও লেখক হোসেন তওফিক চৌধুরী, জেলা উদীচীর সভাপতি শিলা রায়, লেখক ও বিশিষ্ট আইনজীবী স্বপন কুমার দেব, শিক্ষাবিদ পরিমল কান্তি দে, লেখক ও সিনিয়র আইনজীবী বজলুল মজিদ চৌধুরী খসরু, বরুণ রায় স্মৃতি সংসদের সাধারণ সম্পাদক রমেন্দ্র কুমার দে, অ্যাড. রবিউল লেইস রোকেশ, কৃষক নেতা অমর চাঁদ দাস, জেলা মাহিলা পরিষদের সভাপতি গৌরী ভট্রাচার্য, খেলা ঘরের সভাপতি বিজন সেন রায়, জেলা কমিউনিস্ট পার্টির সভাপতি চিত্ত রঞ্জন তালুকদার, আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি সুজনের নির্বাহী পরিচালক র্নিমল ভট্টাচার্য, অ্যাড. সালেহ্ আহমদ, জেলা কমিউনিস্ট পার্টির সাধারণ সম্পাদক অ্যাড. এনাম আহমদ, প্রথম আলোর জেলা প্রতিনিধি অ্যাড. খলিল রহমান প্রমুখ।
স্মরণ সভা শেষে বরুণ রায় স্মৃতি সংসদের পক্ষ থেকে ১১ জন শিক্ষার্থীকে বৃত্তি প্রদান ও শীর্তাত ৫৫ জনের মধ্যে শীতবস্ত্র বিতরণ করা হয়েছে।