বিশেষ প্রতিনিধি
দল নির্বাচনে না গেলেও সুনামগঞ্জ সদর ও শান্তিগঞ্জের ১৭ ইউনিয়নের বেশিরভাগ ইউনিয়নে জোরে শোরেই প্রচারণায় বিএনপি দলীয় সম্ভাব্য প্রার্থীরা। দলের দায়িত্বশীল নেতাদের অনেকেই ভিন্ন প্রতীকে নির্বাচনে লড়বেন। আওয়ামী লীগের দলীয় প্রার্থীদের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ইউনিয়নে এরাই শক্তিশালী প্রার্থী। তৃতীয় ধাপের এসব ইউনিয়নে মনোনয়ন দাখিলের শেষ তারিখ দুই নভেম্বর, ভোট ২৮ নভেম্বর। মঙ্গলবার এই ইউনিয়নগুলোয় আওয়ামী লীগের দলীয় প্রার্থীর নাম ঘোষণার পর আরও বেশি সক্রিয় হয়েছেন বিএনপির প্রার্থীরা।
জেলা কৃষক দলের সদস্য সচিব আব্দুল ওদুদ শহরতলির সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার লক্ষণশ্রী ইউনিয়নের দুই বারের নির্বাচিত চেয়ারম্যান। এবারও তিনি প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন। জানালেন, মনোনয়ন দাখিলের শেষ দিন দুই নভেম্বর মনোনয়ন জমা দেবেন তিনি।
সদর উপজেলার বড় ইউনিয়ন হিসেবে পরিচিত শহরতলির গৌরারং ইউনিয়নে বর্তমান চেয়ারম্যান বিএনপি নেতা ফুল মিয়া, জেলা যুবদলের সহসভাপতি অ্যাডভোকেট শহীদুল ইসলাম ও বিএনপি নেতা শামছুল হক নির্বাচনী লড়াইয়ে আছেন।
রঙ্গারচর ইউনিয়নে বিএনপি নেতা বর্তমান চেয়ারম্যান আব্দুল হাই ও দলীয় নেতা নূর উদ্দিন নির্বাচন করবেন। জাহাঙ্গীরনগর ইউনিয়নে নির্বাচন করবেন বিএনপি নেতা আমজদ আলী।
শান্তিগঞ্জের পাথারিয়া ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক, দুই বারের ইউপি চেয়ারম্যান আমিনুর রশিদ আমিন এবারও প্রতিদ্বন্দ্বিতায় আছেন। জানালেন, শুক্রবার মনোনয়ন জমা দেবেন তিনি।
এছাড়া শান্তিগঞ্জের পশ্চিম বীরগাঁওয়ে বিএনপি নেতা লুৎফুর রহমান জায়গীরদার খোকন ও নূর মিয়া নির্বাচনী লড়াইয়ে আছেন। জাহাঙ্গীরনগর ইউনিয়নে লড়বেন বিএনপি নেতা আমজদ আলী।
জয়কলস ইউনিয়নে স্বেচ্ছাসেবক দলের উপজেলা কমিটির সাবেক সভাপতি ফরিদ মিয়া নির্বাচন করবেন।
জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক নুরুল ইসলাম নুরুল বললেন, নির্বাচনী পরিবেশ না থাকায় বিএনপি দলগতভাবে নির্বাচনে অংশ নিচ্ছে না। দলের কোন নেতা নির্বাচনে অংশ নিলে নিজ দায়িত্বে অংশ নেবেন।


