বিকাশে ভুল নাম্বারে চলে যাওয়া টাকা উদ্ধার করলো পুলিশ

শান্তিগঞ্জ প্রতিনিধি
শান্তিগঞ্জের পশ্চিম পাগলা ইউনিয়নের কান্দিগাঁও গ্রামের এক কলেজ শিক্ষক, ইনাতনগর গ্রামের ছামিয়ারা বেগম, পাথারিয়া ইউনিয়নের গনিগঞ্জ বাজার এলাকা রাজীব, জয়কলসের নোয়াখালী বাজার এলাকার জুয়েল আহমদ, পশ্চিম বীরগাঁও ইউনিয়নের বসিয়া খাউরীর সেজুল মিয়া ও শিমুলবাকের জীবদারা গ্রামের জুয়েল আহমদ। এদের প্রত্যেকেরই চলতি বছরের বিভিন্ন সময়ে বিকাশের মাধ্যমে নিজেদের নাম্বারে টাকা আনতে গিয়ে ভুল বিকাশ নাম্বারে চলে গিয়েছিলো। কারো দশ, কারো ২০, কারো আবার চল্লিশ, পঞ্চাশ হাজার টাকা। উপায়ন্তু না পেয়ে টাকা ফেরত পেতে সাধারণ ডায়রি (জিডি) করেন শান্তিগঞ্জ থানায়। প্রযুক্তির ব্যবহার করে বিভিন্ন সময়ে সেসব টাকা উদ্ধার করে প্রকৃত টাকার মালিককে বুঝিয়ে দিয়েছে পুলিশ। এজন্য ভুল বিকাশ নাম্বারে টাকা উদ্ধার করে আনতে পারায় প্রসংশা কুড়াচ্ছে শান্তিগঞ্জ থানা পুলিশ।
সম্প্রতি, পাগলা সরকারি মডেল হাইস্কুল এন্ড কলেজের কলেজ শাখার প্রভাষক ইয়াকুব শাহরিয়ারের ২০ হাজার ৪০০ টাকা একটি ভুল বিকাশ নাম্বারে চলে গিয়েছিলো। ১ মে পাঠানো বিকাশের অর্থ টাকাপ্রাপ্ত ব্যক্তি ফেরত দিতে অস্বীকার করলে ওই ব্যক্তির নাম্বারে ট্রানজেকশন আইডিসহ থানায় একটি সাধারণ ডায়রি করেন ভুক্তভোগী। এর দু’সপ্তাহের মধ্যে পুলিশ তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহার করে রংপুর জেলার মিঠাপুকুর থানা এলাকার ফারুক মিস্ত্রির কাছ থেকে টাকা উদ্ধার করে। এ ঘটনার সম্পূর্ণ তদন্ত কাজ পরিচালনা করেন থানার পরিদর্শক (এসআই) এমদাদুল হক এমদাদ। পরে ৭ জুন (মঙ্গলবার) সন্ধ্যায় উদ্ধার করা টাকা প্রকৃত মালিকের হাতে হস্তান্তর করেন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খালেদ চৌধুরী।
পশ্চিম পাগলা ইউনিয়নের রায়পুর গ্রামের বাসিন্দা মুহাম্মদ ইমদাদ হোসেন বলেন, ইয়াকুব শাহরিয়ারের টাকা উদ্ধার হওয়ায় আমরাও খুশি। সম্প্রতি আমার বড় ভাইয়ের ২০ হাজার টাকা ভুল নাম্বারে চলে গেছে। এখন আমরাও চিন্তা করছি থানায় একটি ডায়রি করার।
ওসি খালেদ চৌধুরী বলেন, সম্প্রতি প্রভাষক ইয়াকুব শাহরিয়ারের ২০ হাজার ৪০০ টাকা ভুল বিকাশে চলে গিয়েছিলো। আমরা উদ্ধার করে দিয়েছি। এরকম আরও অনেককে টাকা উদ্ধার করে দিয়েছি। টাকা ভুল নাম্বারে চলে গেলে আগে বিকাশের গ্রাহক সহায়তা নম্বরে ফোন করে টাকাগুলোকে ব্লক করতে হবে। এতে আমাদের কাজ করতে সুবিধা হয়। এছাড়াও সাথে সাথে ট্রানজেকশন আইডিটা সংগ্রহ করতে হবে।