স্টাফ রিপোর্টার
আমাদের জাতীয় জীবনে যিনি নিবিড়ভাবে জড়িয়ে আছেন তিনি আমাদের জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম। আমাদের জাতীয় চেতনার উৎস মূলে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এবং কাজী নজরুল ইসলামের নাম সমভাবে উচ্চারিত হয়। আজকের দিনটি আমাদের জন্য অত্যন্ত আনন্দের এবং বাংলা সাহিত্য ও সংস্কৃতির জন্য স্মরণীয় একটি দিন। এই দিনটিকে ম্মরণ করার জন্য বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি সুনামগঞ্জ ভাচ্যুয়াল সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে। নজরুল জয়ন্তী উপলক্ষে মঙ্গলবার বিকালে ভাচ্যুয়াল সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের শুরুতে এসব কথা বলেন জেলা শিল্পকলা একাডেমির কালচারাল অফিসার আহমেদ মঞ্জুরুল হক চৌধুরী পাবেল।
অনুষ্ঠানের শুরুতে বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামের ‘বিজয়িনী’ কবিতা আবৃত্তি করেন ছাতকের আবৃত্তি ও কন্ঠশিল্পী সেঁজুতি হৃদি।
জেলা শিল্পকলা একাডেমি, সুনামগঞ্জ এর ফেসবুক পেজ জেলা শিল্পকলা একাডেমির কালচারাল অফিসার আহমেদ মঞ্জুরুল হক চৌধুরী পাবেল’র সঞ্চালনা ভার্চুয়ালি সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে জেলা শিল্পকলা একাডেমির সংগীত বিভাগের প্রশিক্ষক সন্তোষ কুমার চন্দ শ্যামা সংগীত ‘মহাকালী মহাসরস্বতী মহা লক্ষ্মী তুমি ভগবতি —’। বিশিষ্ট কন্ঠশিল্পী রাজ নারায়ন দাশ গেয়ে শোনান ‘আমার আপনার চেয়ে আপন যে জন/খুঁজি তারে আমি আপনায়/আমি শুনি যেন তার চরণের ধ্বনি/শুনি যেন তার চরণের ধ্বনি..’ এবং ‘ তুমি যদি রাধা হতে শ্যাম, আমারি মতন দিবস-নিশি জপিতে শ্যাম-নাম..’। ‘কার মঞ্জীর রিনিঝিনি বাজে, চিনি চিনি।/প্রাণের মাঝে সদা শুনি তারই রাগিণী/চিনি চিনি’ গানের সাথে নৃত্য পরিবেশন করেন জামালগঞ্জ উপজেলা শিল্পকলা একাডেমির নৃত্য বিভাগের প্রশিক্ষক অস্মিতা রায় মিথিলা। বিশিষ্ট সংগীত শিল্পী চন্দ্রলেখা টুকু ‘ব্রজ গোপী খেলে হোরী হোরীরে খেলে আনন্দ নবঘন শ্যাম সাথে’ সহ কয়েকটি গান গেয়ে শোনান।
এছাড়াও সংগীত পরিবেশন করেন জেলা শিল্পকলা একাডেমির সংগীত প্রশিক্ষক দ্বিপায়ন চৌধুরী, সংগীত শিল্পী প্রীতি ভুষণ চক্রবর্তী, আবৃত্তি করেন শ্রী পর্ণা দে।


