বিশ্বম্ভরপুরের প্রার্থী বাছাইয়ে অনিয়মের অভিযোগ

বিশ্বম্ভরপুর প্রতিনিধি
বিশ্বম্ভরপুর উপজেলায় প্রার্থী বাছাইয়ে আওয়ামী লীগের একটি ইউনিয়নে ও বিএনপির দুইটি ইউনিয়নে বেশ অনিয়ম হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। উপজেলার বাদাঘাট (দ.) ইউনিয়নে আ. লীগের এবং সলুকাবাদ ও পলাশ ইউনিয়নে বিএনপির দলীয় প্রার্থী বাছাই সঠিক হয়নি বলে অভিযোগ উঠেছে। অন্যদিকে ফতেপুর ইউনিয়নে মনোনয়ন না পেয়ে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া দেখিয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসাবে নির্বাচন করার ঘোষণা দিয়েছেন রণজিৎ চৌধুরী রাজন।
বাদাঘাট (দ.) ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান আ. লীগ নেতা মুক্তিযোদ্ধা জিল্লুর রহমান বলেন,‘আ. লীগের কেন্দ্রীয় পর্যায়ে দলীয় প্রার্থী বাছাইয়ে ব্যাপক অনিয়ম হয়েছে। তৃণমূল পর্যায়ের নেতা কর্মীদের মতামতকে মূল্যায়ন করা হয়নি। আমি একজন সাবেক চেয়ারম্যান, বীর মুক্তিযোদ্ধা, আওয়ামী পরিবারের লোক ও প্রবীণ ব্যক্তি হিসেবে মনোনয়ন প্রত্যাশী ছিলাম। অনিয়মের মাধ্যমে আমাকে বঞ্চিত করা হয়েছে। আমি স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করব।’
ফতেপুর ইউপির চেয়ারম্যান প্রার্থী রণজিৎ চৌধুরী রাজন অভিযোগ করে বলেন, প্রার্থী বাছাইয়ে আমাকে মূল্যায়ন করা হয়নি। গত বিশ বছরের আমার রাজনৈতিক জীবনের কোন কিছুই মূল্যায়ন করেনি আওয়ামী লীগ। আমি ঢাকায় গিয়ে অনেক চেষ্টা করেও জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতির সাথে সাক্ষাৎ করতে পারিনি। আমাকে মনোনয়ন না দেওয়ায় এলাকার ভোটাররা বিক্ষুব্ধ হয়ে মাঠে নেমেছেন। আমি বঙ্গবন্ধু ও শেখ হাসিনার আদর্শের রাজনীতি করি। আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে   যেতে চাই না। তবে সাধারণ মানুষের দাবির প্রেক্ষিতে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়ে নির্বাচন করব।’
তবে সকল অভিযোগ অস্বীকার করে উপজেলা আ.লীগের সভাপতি বেনজির আহমদ মানিক ও সাধারণ সম্পাদক দিলীপ কুমার বর্মন জানান, উপজেলার ৫টি ইউনিয়নেই কেন্দ্রীয়ভাবে দলীয় প্রার্থী বাছাই হয়েছে। বাছাই প্রক্রিয়া সঠিবভাবেই হয়েছে, এতে আমরা সন্তুষ্ট। জিল্লুর রহমানের অভিযোগ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন। ’
এদিকে উপজেলার বিএনপির আহবায়ক ও উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মো. হারুন রশিদ স্থানীয় বিএনপির দায়িত্বশীল নেতা হয়েও অভিযোগ করে বলেন,‘ইউপি নির্বাচনে বিএনপির দলীয় চেয়ারম্যান প্রার্থী বাছাইয়ে তৃণমূল পর্যায়ে নেতাকর্মীদের মতামতের প্রতিফলন হয়নি। সলুকাবাদ ও পলাশ ইউনিয়নে প্রার্থী বাছাইয়ে তৃণমূল নেতাকর্মীদের মতামত গ্রহণ করা হয়নি।’