Deprecated: Required parameter $month follows optional parameter $hour in /home/sites/30a/d/d0e954554d/archive/wp-content/plugins/bangla-date-display/uCal.php on line 146

Deprecated: Required parameter $day follows optional parameter $hour in /home/sites/30a/d/d0e954554d/archive/wp-content/plugins/bangla-date-display/uCal.php on line 146

Deprecated: Required parameter $year follows optional parameter $hour in /home/sites/30a/d/d0e954554d/archive/wp-content/plugins/bangla-date-display/uCal.php on line 146

Deprecated: Required parameter $display_count follows optional parameter $sharing_type in /home/sites/30a/d/d0e954554d/archive/wp-content/plugins/sassy-social-share/public/class-sassy-social-share-public.php on line 292

Deprecated: Required parameter $total_shares follows optional parameter $sharing_type in /home/sites/30a/d/d0e954554d/archive/wp-content/plugins/sassy-social-share/public/class-sassy-social-share-public.php on line 292
ভাটিতে একের পর এক ডুবছে হাওর – সুনামগঞ্জের খবর » আঁধারচেরা আলোর ঝলক

ভাটিতে একের পর এক ডুবছে হাওর

সু.খবর রিপোর্ট
সুনামগঞ্জ শহরের পাশ দিয়ে বয়ে যাওয়া সুরমা নদীসহ আশ পাশের নদীর পানির উচ্চতা কমে আসা শুরু হলেও জেলার ভাটিতে একের পর এক হাওরের ফসল রক্ষা বাঁধে বিপর্যয় দেখা দিয়েছে। বুধবার বিকালে দিরাইয়ে বাঁধ ভেঙে টাংনির হাওরের ফসল ডুবেছে। এর আগে শাল্লার ছায়ার হাওরে সাউরি কান্দা বাঁধের নীচ দিয়ে পানি ঢুকে। ধর্মপাশার গুরমার হাওরের বাঁধের নীচ দিয়েও পানি ঢুকতে শুরু হয়।
উজান থেকে (ভারতের মেঘালয়- চেরাপুঞ্জি) নেমে আসা ঢলের পানিতে গত চার দিন ধরে সুনামগঞ্জের ছোট বড় প্রায় দেড়শ ফসলি হাওর হুমকিতে পড়ে। সোম ও মঙ্গলবার কোথাও নদীর পানি ওঠে, কোথাও বাঁধ ভেঙে ৮ টি হাওর ডুবে কৃষকের স্বপ্ন ডুবে যায়। বুধবার বিকালে জেলার দিরাই উপজেলার ডালিয়া নদীর বাঁধ ভেঙে টাংনির হাওরে পানি ঢুকা শুরু হয়।
দিরাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহমুদুর রহমান মামুন বলেছেন, ওই হাওরে ১৮০০ হেক্টরের মত ফসলি জমি আছে। কৃষকদের সহযোগিতায় বাঁধটি রক্ষা করার সর্বোচ্চ চেষ্টা করা হচ্ছে।
এর আগে দুপুরে শাল্লার সাউরি কান্দা বাঁধের নীচ দিয়ে জেলার অন্যতম বৃহৎ হাওর ছায়ায় পানি ঢুকতে থাকে। হাজারো কৃষক ওখানে স্বেচ্ছাশ্রমে কাজে নামেন। স্থানীয় কৃষকরা জানান, এই বাঁধ টেকানো না গেলে কিশোরগঞ্জের ইটনা, মিঠামইন, অষ্ট্রগ্রামে পর্যন্ত হাওর ক্ষতিগ্রস্ত হবে।
শাল্লা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আবু তালেব বুধবার বিকাল ৬ টায় জানান, হাজারো কৃষকের সহায়তায় বাঁধটি রক্ষা করার চেষ্টা করছেন তারা। বিকালের দিকে ভাঙন নিয়ন্ত্রণে এসেছে বলে দাবি করেন তিনি।
বিকাল ৬ টায় শাল্লার জোয়ারিয়া ও গোপহরি হাওরের পানি ঢুকে। হাওরের পাশের দাড়াইন নদীর পানি ঢুকে এই দুই ছোট হাওর ডুবে যায়।
স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান বিশ^জিৎ চৌধুরী নান্টু বললেন, এই দুই হাওরের ২০০ হেক্টরের বেশি জমি ছিল।
সকালে (বুধবার) জেলার তাহিরপুরের টাঙ্গুয়া’র ভেতরের গনিয়াকুড়ি হাওর ডুবে যায়। স্থানীয় কৃষকরা জানান, এই হাওরের ২০০০ একরের মতো ফসলি জমি ছিল।
দুপুরে ধর্মপাশার জয়ধনা হাওরের বাগবাড়ি পশ্চিমপাড়ের বাঁধে ফাটল দেখা দেয়। কাইল্যানী হাওরের কইজোড়া নামক বাঁধের একটি বিরাট অংশ ধসে গেছে। সেখানেও স্বেচ্ছাশ্রমে কাজ করছেন কৃষকেরা। ধানকুনিয়া হাওরের গলাভাঙা, গোলবিল বাঁধেও ফাটল দেখা দিয়েছে। ওইসব বাঁধে গত দুইদিন ধরে কাজ করছেন স্থানীয় কৃষকেরা। মঙ্গলবার রাতে মধ্যনগরের মেঘনার বাঁধে বড় রকমের ফাটল দেখা দেয়। এ বাঁধে স্থানীয় কৃষকদের পাশাপাশি দুপুর থেকে কাজে যোগ দেয় মধ্যনগর বিপি হাই স্কুল এন্ড কলেজের স্কাউট দল।
উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলের কারণে সুনামগঞ্জের ছাতকে হাওরের অধিকাংশ বোরো জমির ফসল এখন হুমকির মুখে।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা তৌফিক হোসেন খান বললেন, শতকরা ৮০ ভাগ ধান পাকা হলেই কৃষকদের কাটার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
সুনামগঞ্জের জেলা প্রশাসক মো. জাহাঙ্গীর হোসেন বললেন, হাওরের বাঁধে বাঁধে আমিসহ জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের সকল সরকারি কর্মকর্তা রয়েছেন। কৃষকদের সহায়তায় বাঁধ রক্ষা করে ফসল বাঁচানোর চেষ্টা আছে আমাদের।