স্টাফ রিপোর্টার
মিথ্যা মামলা দায়ের করায় বাদীর বিরুদ্ধে জরিমানা ও নিজে বাদী হয়ে মামলা করেছেন বিচারক। বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার সহকারী জজ আদালতে জাল দলিল দাখিল করে মিথ্যা মামলা দায়ের করায় মামলার বাদী রিংকু দাসের বিরুদ্ধে বিশ হাজার টাকা জরিমানা ও ফৌজদারি আদালতে জালিয়াতির মামলা দায়ের করা হয়েছে। রিংকু দাস বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার প্যারীনগর গ্রামের মৃত. বীরেন্দ্র দাসের ছেলে।
বুধবার দুপুরে সহকারী জজ আদালত বিশ্বম্ভরপুরের বিজ্ঞ বিচারক মো. আরিফুর রহমান এই রায় প্রদান করেন একইসঙ্গে অতিরিক্ত চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে বাদীর বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা দায়ের করেন তিনি।
বিশ্বম্ভরপুর সহকারী জজ আদালতের বেঞ্চ সহকারি মোহাম্মদ আলী বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
আদালত সূত্রে জানা যায়, বিশ্বম্ভরপুর সহকারী জজ আদালতে রিংকু দাস বাদী হয়ে একই উপজেলার বসিন্দা আসমত খান গং এর বিরুদ্ধে ২০১৭ সালে একটি মামলা দায়ের করেন। সেই মামলায় তিনি তিনটি দলিল আদালতে দাখিল করে বিবাদীদের বিরুদ্ধে নালিশা ভূমিতে স্থায়ী নিষেধাজ্ঞার প্রার্থনা করেন। সাক্ষ্য প্রমাণ পর্যালোচনাকালে বিচারকের নিকট তিনটি দলিলের মধ্যে একটি দলিল ভুয়া, জাল এবং আরেকটি দলিল ঘষা মাজা করে টেম্পারিং করা হয়েছে বলে প্রমাণিত হওয়ায়-দায়ের করা মিথ্যা মামলা খারিজ করে বাদীকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করেন। সেই সাথে আদালতে জাল দলিল দাখিল করায় বিচারক মো. আরিফুর রহমান নিজে বাদী হয়ে মামলার বাদী রিংকু দাসের বিরুদ্ধে অতিরিক্ত চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে (সুনামগঞ্জ সদর আমলী আদালত) জালিয়াতির মামলা দায়ের করেছেন।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন আদালতের সহকারী পাবলিক প্রসিকিউটর নূরে আলম সিদ্দিকী উজ্জ্বল।


