মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস জানতে হবে -মুকুট

আকরাম উদ্দিন
সুনামগঞ্জ জেলা পরিষদের উদ্যোগে এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষায় এ প্লাস প্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের মধ্যে বৃত্তি প্রদান অনুষ্ঠিত হয়েছে। রবিবার দুপুরে জেলা পরিষদ মিলনায়তনে আনুষ্ঠানিকভাবে এই বৃত্তি প্রদান করা হয়। এ উপলক্ষে দুপুরে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন স্থানীয় সরকার বিভাগের উপ-পরিচালক ও জেলা পরিষদের ভারপ্রাপ্ত প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ এমরান হোসেন। প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান নুরুল হুদা মুকুট। এতে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন জেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি অ্যাড. আপ্তাব উদ্দিন, প্রফেসর পরিমল কান্তি দে, মুক্তিযোদ্ধা অ্যাড. আলী আমজদ, শিক্ষক যোগেশ্বর দাস। এছাড়াও বক্তব্য রাখেন জেলা পরিষদ সদস্য ফৌজিআরা বেগম শাম্মী ও আব্দুশ শহীদ মুহিত। আলোচনা সভা শেষে ২০১৮-২০১৯ শিক্ষা বর্ষের ১০০ শত জন মেধাবী শিক্ষার্থীকে ৩ হাজার টাকা করে বৃত্তি প্রদান করেন অতিথিরা।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান নুরুল হুদা মুকুট বলেন,‘সুনামগঞ্জ জেলা রাজনীতি ও শিক্ষার উর্বর জায়গা। সুশিক্ষা অর্জন করে এই সুনামগঞ্জ থেকে ইতিপূর্বে মন্ত্রী ও উচ্চ পর্যায়ের আসনে অধিষ্ঠিত হয়েছেন অনেক। বর্তমানেও পরিকল্পনামন্ত্রী, পিএসসি চেয়ারম্যান, প্রধান তথ্য কমিশনার, দুদকের সচিব, মুখ্যসচিব পদে অধিষ্ঠিত আছেন আমাদের জেলার সম্মানীত একাধিক ব্যক্তি। আমরা আশাবাদী তোমরা সকলে সুশিক্ষা অর্জন করে উচ্চ পর্যায়ের আসনে অধিষ্ঠিত হবে।’
তিনি বলেন,‘বৃত্তি পাওয়া শিক্ষা ক্ষেত্রে প্রেরণা। এই প্রেরণায় উদ্বুদ্ধ হয়ে তোমাদের লেখাপড়ায় এগিয়ে যেতে হবে। মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস জানতে হবে। অভিভাবকদেরকে তাদের সন্তানদের প্রতি লক্ষ্য রাখতে হবে।’
নুরুল হুদা মুকুট বলেন,‘আমি ছাত্র ইউনিয়ন করেছি। দেশ স্বাধীনের পরে আমি সুনামগঞ্জ সরকারী কলেজের এজিএস ছিলাম। আমি দীর্ঘ ৪০ বছর ধরে আওয়ামী লীগের রাজনীতির সাথে যুক্ত। ১৬ বছর ছিলাম জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক।’
মুকুট বলেন,‘আমার পরিবারের বিরুদ্ধে অপপ্রচার করে আসছে রাজনীতির সাথে জড়িত কিছু নামধারী ব্যক্তি। ওয়ান ইলেভেনের সময় আমি তাঁদের ষড়যন্ত্রের শিকার হয়েছি। আব্দুজ জহুর সাহেব সভাপতি থাকা অবস্থায় জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক পদে ছিলাম। আব্দুস সামাদ আজাদও আমার শ্রদ্ধাভাজন। একটি মহল আমার পরিবারের বিরুদ্ধে নানা অপপ্রচার করে আসছে। এই মহল চায় আমি রাজনীতি থেকে সরে দাঁড়াই। আমি সরে দাঁড়ালে তাঁরা সুযোগ নিতে চায়।’