মে দিবসে স্ববেতন ছুটি ও সরকার ঘোষিত নিম্নতম মজুরি কার্যকরের দাবি

মৌলভীবাজার জেলা হোটেল শ্রমিক ইউনিয়নের কুলাউড়া উপজেলা কমিটির সভা থেকে মহান মে দিবস উপলক্ষে আগামী ১ মে স্ববেতন ছুটি ও সরকার ঘোষিত নিম্নতম মজুরি কার্যকর করার দাবি জানানো হয়।
মঙ্গলবার ৮ টার সময় কুলাউড়া শহরের স্টেশনরোডস্থ একটি হোটেলে সভায় সভাপতিত্ব করেন কুলাউড়া উপজেলা হোটেল শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি মো. আলাউদ্দিন।
সভায় অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ট্রেড ইউনিয়ন সংঘ মৌলভীবাজার জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক রজত বিশ্বাস ও জেলা হোটেল শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি মো. মোস্তফা কামাল।
সভায় বক্তব্য রাখেন কুলাউড়া উপজেলা হোটেল শ্রমিক ইউনিয়নের উপদেষ্টা ও সাবেক জেলা সভাপতি আবুল কামাল, মো. ছায়েদ মুন্সী, সাবেক সহ-সভাপতি মো. মিজান মিয়া, সহ-সাধারণ সম্পাদক আশিক খান, সাংগঠনিক সম্পাদক মো. কবির মিয়া, পৌর কমিটির সভাপতি হাসান মিয়া প্রমুখ।
সভায় বক্তারা বলেন হোটেল শ্রমিকদের ধারাবাহিক আন্দোলনের প্রেক্ষিতে গত ১ মার্চ সরকার হোটেল শ্রমিকদের জন্য নি¤œতম মজুরির গেজেট প্রকাশ করেন, বর্তমান দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির বাজারে সরকার ঘোষিত মজুরিতে পরিবার-পরিজন নিয়ে ১০ দিন চলাও দায়। তারপরও মালিকরা সরকার ঘোষিত নি¤œমত মজুরি ও শ্রমআইন কার্যকর করেন না। শুধু তাই নয় ১ মে আন্তর্জাতিক শ্রমিক সংহতি দিবস উপলক্ষে সারাবিশ্বেও মতো বাংলাদেশের সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্টানের শ্রমিক কর্মচারীরা সর্বাত্মক ছুটি ভোগ করতে পারলেও হোটেল শ্রমিকদের এই আইনগত অধিকার হতে বঞ্চিত করা হয়।
সভায় আগামী ২১ মার্চ বাংলাদেশ হোটেল রেস্টুরেন্ট সুইটমিট শ্রমিক ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় যুগ্ম-সম্পাদক, সিলেট জেলা হোটেল শ্রমিক ইউনিয়নের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি, মৌলভীবাজার জেলা হোটেল শ্রমিক ইউনিয়নের উপদেষ্টা শ্রমিকনেতা আবুল কালাম আজাদের অকাল মৃত্যুতে ডাক বাংলো মাঠে শোকসভা করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। এছাড়া ১ মে স্ববেতন ছুটি এবং সরকার ঘোষিত নি¤œতম মজুরি ও শ্রম আইন কার্যকর করার দাবিতে এপ্রিল মাসব্যাপী মিছিল মিছিল মিটিং ও স্মারকলিপি প্রদান করার সিদ্ধান্ত হয়।
সভা থেকে মহাস মে দিবস উপলক্ষে ১ মে স্ববেতন ছুটি, সরকার ঘোষিত নি¤œতম মজুরি কার্যকর, ৮ ঘন্টা কর্ম দিবস, নিয়োগ পত্র, পরিচয়পত্র প্রদানসহ শ্রম আইন বাস্তবায়ন, ঢাকার ঘরোয়া হোটেল এন্ড রেস্টুরেন্টে কিশোর শ্রমিক রিয়াদের খুনি হোটেল মালিক আরিফুল ইসলাম সোহেলের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি, শ্রমিকদের জন্য রেশনিং চালু, শ্রীমঙ্গলে স্থায়ী শ্রম আদালত ও যুগ্ম-শ্রম পরিচালকের কার্যালয় স্থাপন করার দাবি জানানো হয়। প্রেস বিজ্ঞপ্তি