স্টাফ রিপোর্টার
দোয়ারাবাজারের হকনগর এলাকায় মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিবিজড়িত স্থান বাঁশতলা স্মৃতিসৌধ। প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে বেষ্টিত সিটমহল আকৃতির জায়গায় বাংলাদেশ-ভারত সীমান্ত এলাকায় অবস্থিত এই স্মৃতিসৌধ। বছরের সব দিনেই বিভিন্ন স্থানের মানুষের ভিড় জমে থাকে এই স্মৃতিসৌধ এলাকায়। আবেগ নিয়ে ছুটে যান মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিবিজড়িত স্থান শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের সমাহিত স্থান দেখতে। এরপর প্রাকৃতিক সৌন্দর্য উপভোগ করেন দর্শনার্থীরা। এ বছর এই স্মৃতিসৌধের সমাধি স্থানের অত্যাধুনিক ও চোখ জুড়ানো দৃষ্টিনন্দন নির্মাণ কাজ করা হয়েছে। এই স্মৃতি সৌধের বাউন্ডারীর ভেতরে শহীদ বীর মুক্তিযোদ্ধা ১৫ জনের সমাহিত স্থান রয়েছে। এর মধ্যে ৯ জনের নাম ফলক অজ্ঞাত রয়েছে, ৬ জনের নামফলক লিপিবদ্ধ আছে। এবার এই স্মৃতিসৌধের সমাহিত স্থানের দৃষ্টিনন্দন নির্মাণ কাজ করা হয়েছে। একটি সমাহিত স্থানের মাথা বরাবর উঁচু করে সাদা টাইলস্ মুড়ানো হয়েছে। মধ্যখানে নাম ফলক লাগানো হয়েছে। একটি সমাহিত স্থানের ৩ দিকে সাদা টাইলস্ লাগানো হয়েছে, মধ্যখানে টাইলস্ দ্বারা ঝক্ঝকে লাল-সবুজের জাতীয় পতাকা দৃশ্যমান করা হয়েছে। যেন এক নিখুঁত স্থাপত্য শৈলীর নির্মাণ বীর মুক্তিযোদ্ধার সমাহিত স্থান। এই সমাহিত স্থান দিনের বেলায় ঝলমলে রোদে গাছের ছায়া পড়ে অপরূপ দৃশ্যে সজ্জায়িত হয়। দেখলে চোখ
জুড়িয়ে যায়। যদিও একটি স্থানে বীর শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের সমাহিত স্থান রয়েছে। কিন্তু চৌহদ্দিতে রয়েছে বিশাল জায়গা। স্মৃতিসৌধের পুরো জায়গায় সীমানা প্রাচীর নির্মাণ করা হয়েছে। আছে মনোরম ও চমৎকার প্রবেশ গেইট। সমাহিত স্থানের পাশে রয়েছে জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর মোড়াল, আছে চমৎকার শহীদ মিনার। এই এলাকায় আছে রেস্ট হাউজ, দর্শনার্থীদের বসার স্থান, বিভিন্ন অনুষ্ঠান করার স্টেজ এবং মসজিদ।


