আমিনুল ইসলাম, তাহিরপুর
জেলার অন্যতম বোর ফসলী হাওর তাহিরপুরের শনি হাওরের লালুর গোয়ালা ক্লোজার বাঁধটি অরক্ষিত অবস্থায় রয়েছে। স্থানীয় কৃষকদের অভিযোগ ঝুঁকিপূর্ণ স্থানটি সংস্কার না করলে যে কোন সময় ভেঙে হাওরে পানি ঢুকতে পারে।
সরজমিন বাঁধ এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, বাঁধটিকে নদীর ঢেউয়ের আঘাত থেকে রক্ষার জন্য এক তৃতীয়াংশ জায়গাতে বস্তা দেয়া রয়েছে। বাকী দুই তৃতীয়াংশ জায়গাতে শুধুমাত্র বাঁশের কঞ্চি দিয়ে মাটি আটকানো রয়েছে। সম্প্রতি নদীর পানি বৃদ্ধির সাথে পানির চাপে যে কোন সময় বাঁধটি ভেঙে যাওয়ার আশংকা রয়েছে।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, শনির হাওরের লালুর গোয়ালা ক্লোজার বাঁধটি নির্মাণের জন্য পানি উন্নয়ন বোর্ড সুনামগঞ্জ থেকে ১১ লক্ষ টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। বাঁধটি নির্মাণের জন্য জামালগঞ্জ উপজেলার বেহেলী ইউনিয়নের রাধানগর গ্রামের আব্দুল মুছাব্বিরকে কাজের প্রকল্প চেয়ারম্যান মনোনীত করেন পানি উন্নয়ন বোর্ড। বাঁধ নির্মাণে বরাদ্দের সাথে মাটি ও বস্তা দেয়ার বিষয়টি উল্লেখ থাকলেও প্রকল্প চেয়ারম্যান পুরো বাঁধে বস্তা না দিয়ে এক তৃতীয়াংশ জায়গাতে বস্তা দিয়েছেন।
প্রকল্প চেয়ারম্যান আব্দুল মুছাব্বির জানান, পুরো বাঁধে বস্তা সেটিং এর জন্য প্রকল্পে ব্যয় ধরা নেই।
পানি উন্নয়ন বোর্ড সুনামগঞ্জ’র উপ-সহকারী প্রকৌশলী শাহ আলম বলেন, প্রকল্প চেয়ারম্যান মুছাব্বিরকে বলা হয়েছে দ্রুত বাঁধে বস্তা সেটিং করতে।
তাহিরপুর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান কামরুজ্জামান কামরুল বলেন,‘নদীর পানি দ্রুত বৃদ্ধি হওয়ায় লালুর গোয়ালা বাঁধটিতে বস্তা অথবা বাঁশ পাইলিং না থাকায় বাঁধটি হুমকিতে রয়েছে। তিনি বাঁধে বস্তা ও বাঁশ পাইলিং এর জন্য পাউবোকে তাগিদ দিয়েছেন।


