শহরের দুই রাস্তার বেহাল অবস্থা

শহীদনূর আহমেদ
মুল রাস্তা থেকে নিচু হওয়ায় অল্প বৃষ্টি হলেই পানি জমে সুনামগঞ্জ পৌরসভার পশ্চিমদিকের রাস্তা, ডিএস রোড হতে মেজর ইকবাল সড়কে যাওয়ার রাস্তা ও পুরাতন শিল্পকলা থেকে দক্ষিণমুখী রাস্তায়। পানি নিষ্কাশনের সুব্যবস্থা না থাকায় তৈরি হয় জলবদ্ধতা। জলবদ্ধতার কারণে পথ চলতে নানা দুর্ভোগের শিকার হচ্ছেন বলে জানান পথচারীরা। শহরের প্রাণ কেন্দ্রে অবস্থিত প্রধান দুইটি সংযোগ সড়কের এমন অবস্থা নিরসনে জরুরিভিত্তিতে ড্রেনেজ ব্যবস্থা উন্নয়নের দাবি জানিয়েছেন পথচারী ও পৌরনাগরিকবৃন্দ।
মঙ্গলবার পথচারীদের সাথে কথা বলে জানা যায়, বৃষ্টি হলেই রাস্তা দুটিতে বৃষ্টির পানি জমে থাকে। পানি নিষ্কাশনের সুব্যবস্থা না থাকায় তৈরি হয় জলবদ্ধতা। রাস্তা দুইটির পাশে একদিকে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও গুরত্বপূর্ণ স্থাপনা থাকায় প্রতিনিয়ত চলাচলে শিক্ষার্থী ও অন্যদের চলাচলে কষ্ট স্বীকার করতে হয়। পৌরসভা সংলগ্ন রাজগোবিন্দ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সামনে পানি জমে থাকে সব সময়।এই রাস্তা দিয়ে যাতায়াত করেন সরকারি জুবিলী উচ্চ বিদ্যালয়, সরকারি এসসি বালিকা উচ্চ    বিদ্যালয়, এইচএমপি উচ্চ বিদ্যালয়, সৃজন বিদ্যাপীঠ, রাজাগোবিন্দ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শত শত শিক্ষার্থী। অনেকে নানা কসরৎ করে পানি না মাড়ানোর চেষ্টা করেন। অনেক শিক্ষার্থী পানি এড়ানোর জন্য ভিন্ন রাস্তা ব্যবহার করেন আবার কেউ কেউ রাস্তার পাশের দেয়াল ধরে পার হওয়ার চেষ্টা করেন। জলাবদ্ধ এইসব রাস্তা দিয়ে যখন কোন গাড়ি যায় তখন চাকা থেকে ছিটকে পড়া কর্দমাক্ত পানি পথচারীদের জামাকাপড় নষ্ট করে দেয়।  রাস্তার পাশে শহরের কেন্দ্রীয় মসজিদ হওয়ায় মুসল্লিদের সমস্যা আরো বেশি।
তপু আহমেদ নামে এক পথচারী বলেন, রাজগোবিন্দের এই রাস্তাটিতে সব সময় পানি থাকে। এতে আমাদের চলাচলে সমস্যা হচ্ছে। বিশেষ করে ছাত্রছাত্রীদের চলাচলে বেশি সমস্যা হয়। রাস্তাটির পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা করা দরকার।
মিথিলা নামে আরেক শিক্ষার্থী বলেন, বৃষ্টি হলেই এখানে পানি জমে যায়। চলাচল করা যায় না। মেয়েদের জন্যে সমস্যাটা বেশি। বাধ্য হয়ে ঘুরে যেতে হয়।
পৌর কাউন্সিলার চঞ্চল কুমার লোহ বলেন, রাস্তা দুটির পানি নিষ্কাশনের সুব্যবস্থা নেই। বৃষ্টি হলে রাস্তায় পানি জমে যায়। পথচারীদের চলাচলের সুবিধার্থে আপাতত রাস্তায় বস্তা ফেলে  যাতায়াতের সুবিধা করে দেয়া হবে এবং পরে স্থায়ী সমাধানের লক্ষ্যে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে ড্রেনেজ ব্যবস্থা করে দেয়া হবে।