শহরের প্রাণকেন্দ্র পৌরবিপণি’র গণশৌচাগারের বেহাল দশা

পুলক রাজ
শহরের পৌরবিপণি’র গণশৌচাগারের বেহাল দশা। ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, দীঘদিন সংস্কার না হওয়ায় পথচারী থেকে শুরু করে ব্যবসায়ীরা প্রতিদিন দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন। সরজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, শৌচাগারটির প্রতিটি দরজা ভেঙে নষ্ট হয়ে গেছে, ভেতরের অবস্থাও করুণ। দুর্গন্ধের জন্য ভেতরে যাওয়া যায় না। গণশৌচাগারের সামনে ময়লার ভাগার।
পৌরবিপনী’র ব্যবসায়ী পিনাক দাস বলেন, প্রতিদিন পৌরবিপণিতে অনেক মানুষ চলাচল করেন। পৌরবিপণি’তে প্রায় ৩০০ ব্যবসায়ীর দোকান রয়েছে, এখানকার শৌচাগারের এমন অবস্থা দু:খজনক। গণশৌচাগারের ভিতরে আবর্জনা, দুর্গন্ধ, ময়লার ভাগার। স্থানীয় ব্যবসায়ীদের দাবি যতদ্রুত সম্ভব শৌচাগারটি সংস্কার করা হোক বা নতুন করে শৌচাগার বানানো হোক।
পৌরবিপণি’র মধ্যবিত্ত’র মালিক মানবেন্দ্র কর পাপ্পু বলেন, পৌরবিপণিতে শহর গ্রামের বিভিন্ন স্থান থেকে ক্রয় বিক্রয় করতে আসেন মানুষ । কিন্তু শৌচাগারের বেহাল দশা হওয়ায় যত্রতত্র মলমূত্র ত্যাগ করতে হয় তাদের । এতে করে বায়ু ও মাটি দূষণে স্কুলগামী ছাত্র-ছাত্রীসহ স্থানীয় জনসাধারণ স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে রয়েছেন। পৌর বিপণিতে পানির খুব সংকট, পানির ব্যবস্থা করা ও গণশৌচাগার দ্রুত ঠিক করা হোক ।
পথচারী কবির মিয়া বলেন, শৌচাগারে গিয়ে আমি বিপদে পড়ে গেছি, গণশৌচাগারে এত দুর্গন্ধ, এত ময়লা আবর্জনা, দরজা ভাংগা।
৪ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর চঞ্চল কুমার লৌহ বলেন, আমরা শৌচাগার লিজ দিয়ে দেই। তারপরেও যদি ওরা জানায় আমরা ব্যবস্থা নেওয়ার চেষ্টা করি। জনগণকে গণশৌচাগার ব্যবহার ঠিক ভাবে করতে হবে। তারা যদি ময়লা আবর্জনা ফেলে দেয়, দরজা ভেংগে দেয়, আমাদের তো কিছু করার থাকে না। জনসাধাণকেই সচেতন হতে হবে। এসময় পৌরবিপনীর গণশৌচাগার শীঘ্রই মেরামত করার আশ^াস দেন তিনি।