শহরে অগ্নিকান্ডে পুড়েছে ৪টি ঘর

স্টাফ রিপোর্টার
সুনামগঞ্জ শহরের তেঘরিয়া (লম্বা হাটি) এলাকায় আগুনে পুড়ে দুটি ঘর ছাই হয়ে গেছে। একই সাথে আরও দুটি ঘর অর্ধেক পুড়ে গেছে।
শনিবার (১৮ এপ্রিল) দিবা গত রাতে এ অগ্নি কান্ডের ঘটনা ঘটে।
সরজমিনে গিয়ে দেখা যায় ঐ এলাকার, সিরাজ উদ্দিন ও বাহাউদ্দিনের ঘর পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। কিছুই আর অবশিষ্ট বাকি নেই। ঘরে থাকা সেলাইর মেশিন, নগদ ৪০ হাজার টাকা আসবাপত্র ও ১ ভরি স্বর্ণ সহ ঘরের সব টিন পুড়ে গেছে। বর্তমানে ঐ পরিবারের লোকজন খোলা আকাশের নিচে বসবাস করছেন।
এ ছাড়াও পার্শ্ববর্তী মিলি বেগম ও আলাউদ্দিনের ঘর আংশিক পুড়ে গেছে। আগুন লাগার পর খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট এসে আগুন নিন্ত্রণে নিয়ে আসে। কি ভাবে আগুনের সূত্রপাত হল তা সুনির্দিষ্ট করে কেউ কিছু বলতে পারছে না।
আগুনের পরিমাণ বেশি হওয়ার কারণে কোনও প্রকার মালামাল সরাতে পারে নি ঐ ঘর গুলোর বাসিন্দারা। সব কিছুই নিঃশ্বেষ হয়ে গেছে আগুনে। এখন মাথা গুজার টাই টুকু পর্যন্ত নেই অসহায় মানুষ গুলো। এই সংকটের মধ্যে বিপাকে পড়ে গেছে
নি¤œ আয়ের মানুষ গুলো।
সিরাজ উদ্দিন দিন পানির লাইনের মেকানিকের কাজ করেন। তার ছেলে জুসেফ একটি জুতার দোকানের বিক্রয় কর্মী। এ ছাড়াও অন্যরাও দিন
আনেন দিন খান এই ধরনের মানুষ।
অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্থ জুসেফ মিয়া বলেন, আমি একটি দোকানে কাজ করি। আমার বাবা পানির লাইন মেরামতের কাজ করেন। বর্তমানে দোকানপাট বন্ধ তাকার কারণে আমার আয় রোজগার নেই। কিছু টাকা জমা ছিল সে গুলোও আগুনে পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। কিছু দিন আগে আমার বোনের বিয়ে হয়ে ছিল। সে আমাদের এখানে বেড়াতে এসেছিল করোনা সংকটের কারণে আর যেতে পারে নি। ঘরে তার স্বর্ণও পুড়ে গেছে।
কি করব বুঝতে পারছি না। খাবার মত কিছুই নাই এখন অন্যর সাহায্য ছাড়া চলতে পারব না। বৃত্তবান বা সরকারি সহায়তা পেলে আমরা বাঁচব না হলে মরা ছাড়া আর কোনও পথ নাই। কারণ আমিও বর্তমানে লকডাইনের কারণে আয়রোজগার করতে পারছি না।