পি সি দাশ পীযূষ, শাল্লা
শাল্লার সদর ঘুঙ্গিয়ারগাঁও তহশীল অফিসের তহশিলদার মোনায়েম খান ও মোহাম্মদ এরশাদের বিরুদ্ধে ঘুষ. দুর্নীতির অভিযোগ পাওয়া গেছে । নামজারী,পরচার নামে টাকা আত্মসাত করে কাজ সম্পন্ন না করেই তারা বদলি হয়ে চলে গেছেন বলে দাবি করেছেন ভূক্তভোগীরা। এখন অনেকেই মুখ খুলতে শুরু করেছেন। কেউ কেউ তাদের প্রয়োজনী কাগজপত্র ও ঘুষের নগদ অর্থের জন্য বার বার অফিসে আসছেন। এরশাদ বিদায় হওয়ার ৩/৪ দিন পর প্রতারণায় শিকার হবিবপুর ইউনিয়নের নিয়ামতপুর চরগাঁও গ্রামের খোকা চন্দ্র সরকার এরশাদের বিরুদ্ধে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নিকট লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।
অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে, তিনি দেড় বছর আগে নামজারীর জন্য ৮ হাজার টাকা দিয়েছেন এরশাদকে। এক সপ্তাহের মধ্যে কাজ করে দেয়ার জন্য তিনি এই টাকা নিয়েছেন। কিন্তু তিনি আমার কাজ না করেই বদলি হয়ে চলে গেছেন।
একই অবস্থায় পড়েছেন আনন্দপুর গ্রামের নিতাই রায়ের ছেলে নির্মল রায়। তিনি প্রায় ১১ মাস পুর্বে তহশীলদার এরশাদকে ৪ হাজার টাকা ঘুষ দিয়েছিলেন নামজারীর জন্য। আজ পর্যন্ত তার কাজ হয়নি । টাকাও ফেরৎ পাননি ।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এএইচএম আসিফ বিন ইকরাম বলেন, তারা অপরাধ করেছে, মোনায়েমের বিরুদ্ধে মামলা চলছে, প্রয়োজনে সাধারণ কৃষকদের কাছ থেকে ঘুষ নেওয়া এবং প্রতারণার দায়ে তহশীলদার এরশাদের বিরুদ্ধে দাপ্তরিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।


