সুব্রত দাস খোকন, শাল্লা
বেলা ঠিক ১টা। দোকানের ভিতর সারিবদ্ধ ভাবে টাঙ্গিয়ে রাখা হয়েছে বিভিন্ন ডিজাইনের বেশ কিছু জামা। কাঠের থাকে সাজিয়ে রাখা হয়েছে শাড়ি, লুঙ্গি, শার্ট, টি-শার্ট, পেন্ট, থান কাপড়, সিট কাপড়। একজন ক্রেতা একটা লুঙ্গি দর-দাম করছেন। দোকানের ভিতর ঢুকে দোকানিকে ঈদের বেচা-কেনা কেমন ? জিজ্ঞেস করতেই উত্তর দিল আর বেচা-কেনা ! ৮/১০ লক্ষ টাকা খাটিয়ে সারাদিনের বিক্রি ৩ থেকে ৪ হাজার টাকা। ঈদের মার্কেটেই এই অবস্থা বাকী সময় যে আমাদের অবস্থা কেমন হবে-তা তো অনুমানই করতে পারছেন। আর লুঙ্গি ক্রেতা বলছেন ঈদের জামা কাপড় কিনব কিভাবে, ধানের বাজার বড়ই মান্দা, ৫০০ টাকা মণ ধান। এক মণ ধান বিক্রি করে একটা মাঝারি মানের লুঙ্গি ও কেনা যায় না। উপরের কথাগুলো বলছিলেন শাল্লা সদরের ঘুঙ্গিয়ারগাঁও বাজারের ফিরোজা বস্ত্রালয়ের মালিক ধনু মিয়ার ছেলে ফরহাদ মিয়া ও লুঙ্গি ক্রেতা আনোয়ার হোসেন।
শনিবার ঘুঙ্গিয়ারগাঁও বাজারের ঈদের বেচা-কেনার হাল-চাল দেখতে গিয়ে বাজারের বিভিন্ন গার্মেন্টস- জিৎ বস্ত্রালয় এন্ড কলেজ টেইলার্স, পোশাক মেলা এন্ড সু-ষ্টোর, শ্রীলক্ষী বস্ত্রালয়, ভাই-ভাই গার্মেন্টস, মায়ের দোয়া ফ্যাশন এন্ড বিক্রমপুর কর্ণার সু-ষ্টোর, অর্পিতা এন্ড সৃজন বস্ত্রালয়, মিতালী গার্মেন্টস, দোয়েল গার্মেন্টস, মা গার্মেন্টস, তোরা বস্ত্রালয়, আল-রাফি ফ্যাশন এন্ড সু-ষ্টোর এই ১২টি দোকান ঘুরে ঘুরে কোথাও ক্রেতাদের তেমন ভিড় দেখা যায় নাই।
অর্পিতা এন্ড সৃজনে ক্রেতাদের কিছুটা ভিড় দেখতে পেয়ে বিক্রেতা হরিদাস-কে বেচা বিক্রির খবর জিজ্ঞেস করতেই উনি বলেন- হয় মোটামোটি। গত ঈদের তুলনায় অনেক কম। বেচা বিক্রি হইব কেমনে একেতো মানুষের গিরস্তি মাইর, তার উপর ধানের দাম কম। আর শাল্লায় সরকারী চাকুরীজীবি যারা আছেন তারা মার্কেটিং এ চলে যান সিলেট নতুবা হবিগঞ্জে।
জিৎ বস্ত্রালয় এন্ড কলেজ টেইলার্সের স্বত্তাধিকারী ঝন্টু সরকার বলেন- গত কয়েকদিন আগে ঈদের মার্কেট করে এসেছি। এবারের ঈদে নতুন ডিজাইনের আকর্ষণীয় পোশাক এনেছি। দামও আছে সাধ্যের মধ্যে। বেশি দামী ও কম দামী জামাও আছে। কিন্তু কাস্টমার খুব কম।
- ছাতকে ছিনতাইকারীর ছুরিকাঘাতে ফ্লেক্সিলোডের ডিষ্ট্রিবিউটর আহত ৩ লক্ষ টাকা খোয়া
- দিরাই ধল উচ্চ বিদ্যালয়ে অবৈধ স্থাপনা আগে ছিল মাছের আড়ৎ এখন ঝুপরি দোকান


