শাল্লায় নৌকা ডুবিতে কলেজ ছাত্রীর মৃত্যু

পিসি দাস, শাল্লা
শাল্লায় ট্রলারডুবিতে আহত কলেজ ছাত্রীর মৃত্যু ঘটেছে। সোমবার দুপুরে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মারা যান আহত ঐ কলেজ ছাত্রী। নিহত ছাত্রীর নাম পনিতা রানী বৈষ্ণব (২২), সে শাল্লা উপজেলার মুছাখালী গ্রামের রতিশ বৈষ্ণবের মেয়ে এবং হবিগঞ্জের বৃন্দাবন কলেজের অনার্স প্রথম বর্ষের ছাত্রী। এ ঘটনায় আহত অন্য আরও ৪ জনের ২ জনকে ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এবং অন্য ২ জনকে শাল্লা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। রোববার রাত সাড়ে ৮ টায় শাল্লা উপজেলার ভেড়াডহর গ্রামের পাশের কুশিয়ারা নদীতে দুই ট্রলারের মুখোমুখী সংঘর্ষে যাত্রীবাহি ট্রলার ডুবে এই হতাহতের ঘটনা ঘটে। পুলিশ গরুর ট্রলারের মাঝিসহ ৩ জনকে আটক করেছে। প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ জানায়, রোববার রাতে আজমিরিগঞ্জের পাহাড়পুর থেকে ছোট একটি ট্রলারে ১০ জন যাত্রী শাল্লার বাহাড়া ইউনিয়নের মুছাপুর গ্রামে রওয়ানা দেন। রাত সাড়ে ৮ টায় ভেড়াডহর গ্রামের পাশের কুশিয়ারা নদীতে উল্টোদিক থেকে আসা গরু বোঝাই একটি ট্রলার যাত্রী বোঝাই ট্রলারের উপড়ে ওঠে যায়। এসময় যাত্রী বহনকারী ট্রলার ডুবে যায়। ট্রলারে থাকা যাত্রীদের ৫ জন আহত হন। আশপাশের লোকজন এসে যাত্রীদের উদ্ধার করেন। গুরুতর আহত পনিতা বৈষ্ণব, মন্টু বৈষ্ণব (২৭) ও রবীন্দ্র বৈষ্ণব (৪০) কে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আনা হয়। আহত বিষ্ণু বৈষ্ণব (৫০) ও প্রতাপ বৈষ্ণবকে (৬৫) শাল্লা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
সোমবার দুপুরে সিলেটের ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পনিতার মৃত্যু ঘটে।
পুলিশ গরুর ট্রলারে থাকা নানু মিয়া (৪৭), সাগর মিয়া (১৮) ও শাহাবুর মিয়া (২০) কে আটক করেছে।
পনিতার দাদু আহত বিষ্ণু বৈষ্ণব জানিয়েছেন, এ ঘটনায় আজই ( সোমবার) মামলা দায়ের করবেন তারা।
শাল্লা থানার ওসি বজলার রহমান জানান, ট্রলার দুর্ঘটনার পর ৩ জনকে আটক করা হয়েছে। কেউ মামলা দায়ের করলে এ বিষয়ে মামলা নেওয়া হবে।