আকরাম উদ্দিন
এবার শীত মৌসুমে শীত নেই। গরম কাপড়ের বাজার মন্দা। হাট-বাজারে শীতের কাপড় ক্রয় করতে মানুষের আগ্রহ কম। গরম কাপড়ের ব্যবসায়ীরা অবসর সময় কাটাচ্ছেন ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে।
এ বছর অল্প সময় শীতের প্রকোপ অবস্থান করছে। প্রতি বছরের হিসাব অনুযায়ী ভাদ্র মাসের মাঝামাঝি সময়ে শীতের জন্ম হয়। ওই মাস থেকে আস্তে আস্তে ঠান্ডা ঘনিয়ে আসে। আশ্বিন, কার্তিক মাসে মোটামুটি সহনীয় পর্যায়ে ঠান্ডা শুরু হয়। কিন্তু অগ্রহায়ন, পৌষ ও মাঘ মাসে শীতের থাকে প্রচন্ড প্রকোপ।
এবার আবহাওয়ার অনেকটা পরিবর্তন ঘটেছে। গরমের প্রভাব ছিল অগ্রহায়ন মাস পর্যন্ত। পৌষ বা মাঘ মাসেও তেমন শীত পড়বে কি না এ নিয়ে ভাবছেন বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষ। এমন ভাবনা থেকে শীতের কাপড় কিনতে চাননি কেউ। তাই গরম কাপড়ের ব্যবসায়ীরা মন্দাভাব নিয়ে অবসর সময় কাটাচ্ছেন। এবার শীতের কাপড়ের মূল্য অনেকটা কম বলে দাবি করেছেন বিক্রেতারা। গত বছর যে কাপড়ের মূল্য অনেকটা বেশি ছিল। এবার কাপড়ের মূল্য কম থাকলেও অল্প গরমের প্রভাব আছে সর্বত্র। এই কারণে শীতের কাপড়ের দোকানে ব্যবসায় মন্দাভাব দেখা দিয়েছে।
ক্রেতা সখিনা খাতুন বলেন, ‘বাচ্চার জন্য গরম কাপড় নিতে এসেছি। দামও কম আছে। বেশি গাঢ় কাপড় বেশি দামে নিয়ে কোনো লাভ নেই। কারণ এবার শীত নেই।’
ক্রেতা রহিম উদ্দিন বলেন, ‘সারা দিন মোটামুটি গরম লাগে। রাতে কিছু ঠান্ডা লাগে। শেষ রাতে গায়ে খেতা লাগে। জাম্পার বা সুইটার কিনে নেওয়ার আগে চিন্তা করছি।’
গরম কাপড়ের ব্যবসায়ী মো. আল আমিন বলেন, ‘এবার সুইটার জাম্পার তেমন বিক্রি হচ্ছে না। দামও অনেকটা কম। ছোটদের কাপড় সর্বনিম্ন ৫০ টাকা, বড়দের কাপড় সর্বোচ্চ ২০০ টাকা পর্যন্ত।’
ব্যবসায়ী আমিনুর ইসলাম মামুন বলেন, ‘সারাদিনে শীতের কাপড় ৫০০ টাকার বিক্রি করতে পারি না। এবার শীতের প্রকোপ নেই। কাল থেকে পৌষ মাস। শীতের প্রকোপ পড়বে কি না চিন্তা করছি।’


