লিপসন আহমদ
‘ঠিকমতো ভোট হয় কি-না অনেকেরই সন্দেহ ছিল, ভোটকেন্দ্রে যাবে কি-না এই নিয়েও দ্বিধা ছিল অনেকের, ভোটের আগের দিন থেকে সকলের মুখে মুখে প্রচার হয় ভোট সুষ্ঠু-শান্তিপূর্ণ হবে, অন্যান্য এলাকায়ও ভোট ভালো হয়েছে, আমার ভোট আমি ছাড়া কেউ দিতে পারবে না, ভোট কেন্দ্রের পরিবেশও ভালো থাকবে, এজন্য ভোটে সবাই এসেছে, এক ঘণ্টার বেশি সময় দাঁড়িয়েও ভোট দিতে পারি নি, অনেক লম্বা লাইন।’ তাহিরপুর সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রের ভোটার তানিয়া আক্তার এভাবেই মানুষের ভোট দেবার আগ্রহের কথা বুঝাচ্ছিলেন।
তাহিরপুর উপজেলার সাত ইউনিয়নেই সোমবার ভোটগ্রহণ ছিল। শেষ দফার এই ভোট ছিল উৎসবমুখর। বিএনপি দলীয়ভাবে ভোটে অংশ না নিলেও স্বতন্ত্রের মোড়কে এই উপজেলার সব কয়টি ইউনিয়নে ভোটে নেমেছেন দলের নেতা কর্মীরা।
তাহিরপুর সদর ইউনিয়নের তাহিরপুর সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়, চিকসা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, বালিজুরী ইউনিয়নের বালিজুরী এইচ এ সিনিয়র মাদ্রাসাসহ সকল ভোট কেন্দ্রেই ভোটারদের দীর্ঘ লাইন ছিল। বিশেষ করে নারী ভোটারদের দীর্ঘ লাইন ছিল কেন্দ্রে কেন্দ্রে। দুপুর ১২ টার পর থেকে কেন্দ্রে কেন্দ্রে পুরুষ ভোটারের সংখ্যাও বাড়তে তাকে।
তাহিরপুর সদর ইউনিয়নের বাসিন্দা ফারহানা আক্তার বলেন, ‘এবারই প্রথম ভোটার হয়েছি। ভোটের পরিবেশ শান্তিপূর্ণ এবং সকলের জন্য সমান ছিল। পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দিয়েছি।’
বালিজুরী ইউনিয়নের নয়াহাটির বাসিন্দা সাবিনা বেগম বললেন, ‘ভোট দেওয়ার জন্য সকালে এসে লাইনে দাঁড়িয়েছি। দীর্ঘ লাইন থাকায় অনেকক্ষণ অপেক্ষা করতে হয়েছে। সুষ্ঠু পরিবেশে ভোট দিতে পারায় খুশি আমরা।’
উত্তর শ্রীপুর ইউনিয়নের গুলকপুর গ্রামের বাসিন্দা রনি মিয়া বললেন, সকালে হাওরে কাজ শেষে কেন্দ্রে এসেছি ভোট দিতে, আমার মত সকলেই এবার ভোট দিতে এসেছেন।
দক্ষিণ কূল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রের প্রিজাইডিং অফিসার মো. জাহেদুল কামাল বলেন, ভোটকেন্দ্রে নারী ভোটারদের উপস্থিতি বেশি। পুরুষরাও স্বতস্ফুর্তভাবে ভোট দিতে এসেছেন।


