স্টাফ রিপোর্টার
চলতি বোরো মৌসুমে লক্ষ্যমাত্রার অতিরিক্ত আরও দুই লাখ টন ধান কিনবে সরকার। রবিবার এই অতিরিক্ত লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে খাদ্য মন্ত্রণালয় থেকে খাদ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের কাছে চিঠি পাঠানো হয়েছে। এতে জানানো হয় সিলেট বিভাগ থেকে অতিরিক্ত আরও ১৫ হাজার ৬০৮ টন ধান কেনা হবে। এর মধ্যে সুনামগঞ্জ জেলা থেকে কেনা হবে ৬ হাজার ৭ শত’ ৯৮ টন ধান।
সুনামগঞ্জ সদর উপজেলা থেকে ৬৬৩ মে. টন, দোয়ারাবাজার উপজেলা থেকে ৫২৫ টন, ছাতক উপজেলা থেকে ৬০১ মে. টন, জগন্নাথপুর উপজেলা থেকে ৮৬৯ মে. টন, দিরাই উপজেলা থেকে ১২২৭ মে. টন, ধর্মপাশা উপজেলা থেকে ১২৭৮ টন, জামালগঞ্জ উপজেলা থেকে ৯৪৩ টন, তাহিরপুর উপজেলা থেকে আরও অতিরিক্ত ৬৯২ মে. টন ধান কিনবে সরকার। তবে জেলার শাল্লা, দক্ষিণ সুনামগঞ্জ ও বিশ্বম্ভরপুর উপজেলা থেকে নতুন করে আর ধান কেনা হবে না।
গত ৩০ এপ্রিল খাদ্য পরিকল্পনা ও পরিধারণ কমিটির সভায় বোরোতে ১৯ লাখ ৫০ হাজার টন ধান-চাল কেনার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। একই সঙ্গে গুদাম খালি থাকা সাপেক্ষে আরও ধান চাল কেনার সিদ্ধান্ত নেয় কমিটি।
খাদ্য পরিকল্পনা ও পরিধারণ কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, চলতি বোরো মৌসুমে ২৬ টাকা কেজি দরে ৮ লাখ টন ধান, ৩৬ টাকা কেজি দরে ১০ লাখ টন সিদ্ধ চাল, ৩৫ টাকা কেজি দরে দেড় লাখ টন আতপ চাল কেনার কথা ছিল। এখন ধান আরও দুই লাখ টন বাড়ার কারণে মোট ধান সংগ্রহ হবে ১০ লাখ টন। আর ধান-চাল মিলে সংগ্রহের পরিমাণ মোট হবে ২১ লাখ ৫০ হাজার টন।
বোরো ধান গত ২৬ এপ্রিল থেকে কেনা শুরু’র কথা ছিল, কেনা শুরু হয় আরও কয়েকদিন পর। ৭ মে থেকে শুরু হয়েছে চাল সংগ্রহ। ধান-চাল সংগ্রহ শেষ হবে ৩১ আগস্ট।
অতিরিক্ত লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে খাদ্য মন্ত্রণালয় থেকে খাদ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের কাছে পাঠানো চিঠিতে জানানো হয় অতিরিক্ত দুই লাখ টন ধানের মধ্যে রংপুর বিভাগ থেকে ৪০ হাজার ৫৭ টন, রাজশাহী বিভাগ থেকে ৩৯ হাজার ৮২৯ টন, ঢাকা বিভাগ থেকে ৫৫ হাজার ১০৫ টন, খুলনা বিভাগ থেকে ২৩ হাজার ৪৭৬ টন, চট্টগ্রাম বিভাগ থেকে ২১ হাজার ৬৩৪ টন, সিলেট বিভাগ থেকে ১৫ হাজার ৬০৮ টন ও বরিশাল বিভাগ থেকে ৪ হাজার ২৯১ টন কেনা হবে।
উল্লেখ্য, এর আগে সুনামগঞ্জ জেলা থেকে ২৫ হাজার ৮৬৬ মেট্রিক টন ধান সংগ্রহ করার জন্য তালিকা প্রকাশ করেছিল খাদ্য মন্ত্রণালয়।
- ছাতকে কালী মন্দির ও ৪ নিরীহ পরিবারের উপর হামলা. ২২ জনের বিরুদ্ধে ছাতক থানায় মামলা
- সুনামগঞ্জে করোনায় আক্রান্ত হলেন আরো ২ জন


