স্টাফ রিপোর্টার
‘মাত্র দেড় বছর আগে সড়কের কাজ হয়েছে। এখনই বিভিন্ন স্থানে খানে-খন্দক সৃষ্টি হয়ে সড়ক ভাঙতে শুরু হয়েছে। আব্দুজ জহুর সেতু থেকে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সাচনাবাজার সড়কে আমরা এমন ভাঙন দেখতে চাই না।’ সাচনাবাজারের ব্যবসায়ী স্বপন রায় এই প্রতিবেদকের কাছে এমন মন্তব্য করলেন।
সুনামগঞ্জ শহরের পাশ দিয়ে বয়ে যাওয়া সুরমা নদী পাড় হয়ে মোটর সাইকেল, কার বা সিএনজি চালিত অটোরিক্সায় আধাঘণ্টায় পৌঁছা সম্ভব ২১ কিলোমিটার দূরের সাচনাবাজারে। সাচনাবাজার থেকে আবার সুমরা নদী পাড় হলেই জামালগঞ্জ উপজেলা সদর। এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সড়ক। এই সড়ক ভালো থাকলে জেলা শহরে যেমন ভাটি অঞ্চল থেকে কম সময়ে মানুষ আসতে পারবেন। জেলা শহরের এবং সাচনাবাজারের ব্যবসা বাণিজ্য সম্প্রসারণেও এটি ভূমিকা রাখবে।
সাচনাবাজারের একাধিক ব্যবসায়ী জানান, সাচনাবাজার থেকে আব্দুজ জহুর সেতু পর্যন্ত সড়কের সাচনাবাজার উচ্চ বিদ্যালয়ের সামনে, পলক ওসমানি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে, কুকরাপসি, সেলমস্তপুর, নিয়ামতপুর, কলাইয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের সামনে ও ভেরাজালি এলাকায় সড়কে খানা-খন্দক সৃষ্টি হয়েছে। এছাড়া নিয়ামতপুরের পাশে একটি সেতু দেবে গেছে। আব্দুজ জহুর সেতু পার হয়ে সাচনাবাজার পর্যন্ত যতগুলো সেতু রয়েছে
সবগুলোরই অ্যাপ্রোচ দেবেছে।
সাচনাবাজারের ব্যবসায়ীদের দাবি এই সড়ক ভাঙলে বা খানা খন্দক সৃষ্টি হলে ভাল যানবাহন চলবে না। তাদের যাতায়াতে অসুবিধা সৃষ্টি হবে।
এই সড়কের সিএনজি অটোরিক্সা চালক রহিম মিয়া বলেন,‘সাচনাবাজারের অনেক ব্যবসায়ী আছেন যারা রাত ১০ টায় আমাদের গাড়িতে ওঠে বলেন, রাত ১১ টার ঢাকার বাসে তাকে তুলে দিতে হবে। সড়কে খানা-খন্দক না থাকলে এটি সম্ভবও হবে। কিন্তু সড়কে ভাঙচুর থাকলে দ্রুত যানবাহন চালানো সম্ভব হয় না। এজন্য আমরা চাই সড়কটি যেন সব সময়ই ভালভাবে যানবাহন চালানোর উপযোগি থাকে’।
সুনামগঞ্জ সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী সফিকুল ইসলাম বলেন,‘আমি নতুন এসেছি, সড়কটি পরিদর্শন করে যেখানে সংস্কারের প্রয়োজন বা কাজ করা জরুরি আমরা সেটি করবো’।


