Deprecated: Required parameter $month follows optional parameter $hour in /home/sites/30a/d/d0e954554d/archive/wp-content/plugins/bangla-date-display/uCal.php on line 146

Deprecated: Required parameter $day follows optional parameter $hour in /home/sites/30a/d/d0e954554d/archive/wp-content/plugins/bangla-date-display/uCal.php on line 146

Deprecated: Required parameter $year follows optional parameter $hour in /home/sites/30a/d/d0e954554d/archive/wp-content/plugins/bangla-date-display/uCal.php on line 146

Deprecated: Required parameter $display_count follows optional parameter $sharing_type in /home/sites/30a/d/d0e954554d/archive/wp-content/plugins/sassy-social-share/public/class-sassy-social-share-public.php on line 292

Deprecated: Required parameter $total_shares follows optional parameter $sharing_type in /home/sites/30a/d/d0e954554d/archive/wp-content/plugins/sassy-social-share/public/class-sassy-social-share-public.php on line 292
টি-টোয়েন্টিতে এমন ম্যাচ! – সুনামগঞ্জের খবর » আঁধারচেরা আলোর ঝলক

টি-টোয়েন্টিতে এমন ম্যাচ!

সু.খবর ডেস্ক
ম্যাচটা শেষ পর্যন্ত ১৯তম ওভারে গিয়ে শেষ হলো। কিন্তু শেষ টেনে দেওয়া যেতে পারত ৮.১ ওভার শেষেই। ৩৯ রান তুলতে না তুলতেই যে ৭ উইকেট পড়ে গিয়েছিল বরিশাল বুলসের। এবারের যে কয়েকটা ম্যাচে দর্শকের চেঁচামেচি যা একটু পাওয়া যাচ্ছে, সেই চট্টগ্রামের দর্শকেরাও স্বাগতিকদের হয়ে গলা ফাটানোর উৎসাহ পেলেন না আর। ৫ উইকেটে ১৮৫ রান তুলে বরিশালের দিকে যে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়েছিল চিটাগং ভাইকিংস, নিজেদের ইনিংসের অর্ধেকেরই আগে তাতে হাল ছেড়ে দিল বরিশাল। শেষ পর্যন্ত ১৮.৪ ওভারে ১০৭ রানে অলআউট হয়ে ম্যাচটা হারল ৭৮ রানে। বিপিএলে এটি চতুর্থ বৃহত্তম পরাজয়।
টি-টোয়েন্টির আসল রোমাঞ্চ এর অনিশ্চয়তায়, মুহূর্তের বাঁক বদলে। এবারের বিপিএলে যে রকম টান টান উত্তেজনার ম্যাচ খুব বেশি নেই। সবচেয়ে ম্যাড়ম্যাড়ে ম্যাচগুলোর একটি হলো আজ।
শোয়েব মালিককে তাই এক নম্বর স্লিপের পাশাপাশি লেগ স্লিপেও ফিল্ডার রেখে বল করতে দেখা গেল। তার চেয়েও বড় বিলাসিতা করতে পারলেন সেই লেগ স্লিপের ফাঁদে পা দিতে ব্যাটসম্যানকে প্রলুব্ধ করতে টানা কয়েকটা ওয়াইডও দিয়ে। টি-টোয়েন্টি ম্যাচ কতটা একতরফা হলে এসব হতে পারে! চট্টগ্রামের দর্শকেরা নিজ দলের এমন বিশাল জয়েও অতৃপ্ত বোধ করতে পারেন। টাকা খরচ করে ম্যাড়ম্যাড়ে ম্যাচ কে দেখতে চায়!
এবারের বিপিএলে টি-টোয়েন্টির রোমাঞ্চ ছড়ানো দলগুলোর একটি কিন্তু চট্টগ্রাম। ডোয়াইন স্মিথের ৬৯, আর শোয়েব মালিকের ৬৩ রানের দুটি ইনিংসে আজ বড় পুঁজি তুলে বরিশালকে মল্লযুদ্ধের আহ্বানই জানিয়েছিল তামিম ইকবালের দল। মালিকের ইনিংসটায় ছিল স্টেডিয়ামের পাশের সমুদ্রের ঝড়ের মতো। ৩০ বলে ৯টি চার ও দুই ছক্কায়। ফিফটি করেছেন মাত্র ২৬ বলে।
গতকালই এ মাঠে দুটি ১৮০‍+ রান তাড়া করে জেতার ম্যাচ হয়েছে। বিপিএলকে জমিয়ে তুলতে এমন ম্যাচ আরও বেশি দরকার। কিন্তু মোহাম্মদ নবীর করা ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারে জোড়া উইকেট হারিয়ে বরিশাল শুরুতেই বুঝিয়ে দিল, ঝড়ের পাল্টা জবাব হিসেবে বজ্র তারা হতে পারবে না। পরের দুই ওভারে ফিরলেন শাহরিয়ার নাফীস ও জীবন মেন্ডিস। চার ওভারের মধ্যেই চার ব্যাটসম্যান নেই!
মুশফিক তাঁর ক্ষণিকের পাল্টা প্রতিরোধে ক্ষান্তি দিলেন সপ্তম ওভারে। অষ্টম ওভারের দ্বিতীয় বলে ফিরলেন পেরেরাও। ম্যাচ ওখানেই শেষ, যেমনটা শুরুতে বলা হয়েছিল। আটে নামা এনামুল হক ৩৭ বলের ইনিংসটায় চার ছক্কায় ৪২ রান করে আসলে দলের বাকিদের কেবল লজ্জাই দিলেন। শুরুতেই ললাটে লিখে যাওয়া পরাজয়টা অবশেষে ৮ বল আগে থাকতে মেনে নিল বরিশাল।