এমএ রাজ্জাক, তাহিরপুর
তাহিরপুর উপজেলার হাওরাঞ্চলের বাজারগুলোতে এখনও জমে উঠেনি ঈদ বাজার। কারণ হিসেবে বিক্রেতারা বলেছেন, এবছর অসময়ে হাওরের বোর ধান গোলায় তুলতে না পারা এবং উপজেলার (বড়ছরা-চারাগাঁও-বাগলী) শুল্কষ্টেশনের কয়লা আমদানী বন্ধ থাকায় ক্রেতা এবং বিক্রেতারদের মধ্যে ঈদের আমেজ নেই। অন্য বছর ঈদের ১৫ দিন পূর্বেই উপজেলার বাজারের দোকানগুলোতে ক্রেতাদের উপচে পড়া ভিড় থাকলেও এবছর দোকানগুলোতে উপচে পড়া ভিড় দেখা যাচ্ছে না। এ ছাড়া দোকানগুলোতে জামা কাপড়ের দাম বেশী হওয়ায় সাধারণ ক্রেতারা ক্রয় করতে হিমসিম খাচ্ছেন। বাজারের দোকানগুলোতে সারি সারি পাখি, কিরণমালা, মহারানী কটকটি ড্রেস টানানো থাকলেও ক্রেতাদের সখ থাকলেও সাধ্য
হচ্ছেনা ক্রয় করে নেয়ার। দোকানগুলোতে এবছর নারী ও শিশু ক্রেতার সংখ্যাই বেশী। ঈদকে সামনে রেখে ক্রেতাদের আকৃষ্ট করতে দোকানীরা নানা রকম পোষাক সাজিয়েছেন তাদের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে।
বাদাঘাট বাজারের আলী ফ্যাশনের মালিক আলী হোসেন জানিয়েছেন, এবার বোরো ফসল কৃষকরা তুলতে না পারায় এবং বড়ছরা-চারাগাঁও-বাগলী শুল্কষ্টেশনগুলো বন্ধ থাকায় অন্য বছরের তুলনায় বিক্রি কম হচ্ছে।
রবিবার উপজেলার সবচেয়ে বড় বাজার বাদাঘাটে গিয়ে দেখা যায়, যে ভাবে ক্রেতারা দোকানে ভিড় করছেন সে তুলনায় দোকানে বিক্রি হচ্ছে না।
বাদাঘাট বাজারের রয়েল ফ্যাশন, আলী ফ্যাশন, বিল্লাল গার্মেন্টস, সায়েম ফ্যাশন, তাহিরপুর সদর বাজারের ভাই ভাই গার্মেন্টস, আরমান ফ্যাশন, ইনছান ফ্যাশন বালিয়াঘাট নতুন বাজারের বানু বস্ত্রালয়ে ক্রেতাদের ভিড় দেখা গেলেও অধিকাংশকেই কেবল দামদর করতে দেখা গেছে।


