পি সি দাস, শাল্লা
বাঁধ নিয়ে শুধু নেগেটিভ নিউজ হয়, পজেটিভ নিউজ কম। যেভাবে উজানের পানি এসেছিল— বাঁধ নির্মাণ না হলে একটি হাওরে আজ ফসলের দেখা মিলতো না। পানিতে তলিয়ে যেতো হাওরগুলো। এতেই প্রমাণিত হয়, হাওর রক্ষা বাঁধের গুরুত্ব অপরিসীম।
বুধবার দুপুর ২টায় শাল্লা উপজেলায় ফসলরক্ষা বাঁধ পরিদর্শনে এসে এসব কথা বলেন পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব সৈয়দা সালমা জাফরীন। তিনি বরাম হাওরের ঝুঁকিপূর্ণ ২৩, ২৪, ২৫ নম্বর পিআইসি, ভান্ডাবিল হাওরের ২ ও ৩ নম্বর পিআইসি এবং ছায়ার হাওরের ৮০ নম্বর পিআইসি মাউতির বাঁধ পরিদর্শন করেন।
সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, হাওরের বাঁধ নির্মাণে অনিয়ম দুর্নীতির সাথে যারা জড়িত প্রমাণিত হলে, যেই হোক তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আগামী ১৭ তারিখ পর্যন্ত বাঁধে নজরদারি জোরদার রাখার বিষয় তুলে ধরে তিনি বলেন, প্রশাসনের লোকজন জনপ্রতিনিধি ও এলাকাবাসীকে নিয়ে বাঁধে সার্বক্ষণিক কাজ করছেন। যাতে কোন রকম দুর্ঘটনা না ঘটে।
তিনি বলেন, আমরা বাঁধের কাজ দেখছি মাত্র, এরপর আমরা একটি রিপোর্ট আকারে তুলে ধরবো। এসময় উপস্থিত বিভিন্ন গ্রামের কৃষকদের সাথে কথা বলে বাঁধের সার্বিক পরিস্থিতি খোঁজ খবর নেন তারা।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন পানিসম্পদ মন্ত্রণালয় গঠিত তদন্ত কমিটির সদস্যবৃন্দ, সুনামগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী জহুরুল ইসলাম, শাল্লা উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আল আমিন চৌধুরী, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আবু তালেব, অফিসার ইনচার্জ আমিনুল ইসলাম, উপজেলা প্রেসক্লাব সভাপতি পি সি দাশ, পাউবোর উপ সহকারী প্রকৌশলী আব্দুল কাইয়ুম প্রমুখ।
এদিকে বুধবার সকাল ১০টায় ভেঙ্গে যাওয়া বৈশাখী বাঁধ পরিদর্শন করেছেন তদন্ত কমিটি। পরে দিরাইয়ে ভাঙ্গনের শিকার হওয়া কুলঞ্জ ইউনিয়নের জারুলিয়া বাঁধ ঘুরে দেখেন তারা। বাঁধ পরিদর্শনে তদন্ত কমিটি স্থানীয় কৃষক, জনপ্রতিনিধি ও দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের বক্তব্য শুনেন তারা।


