ধর্মপাশা প্রতিনিধি
ধর্মপাশায় ১০ হাজার টাকা চাঁদা না দেওয়ায় ইকবাল হোসেন নামের স্থানীয় এক আওয়ামী লীগ নেতা একটি বিদ্যালয়ের উন্নয়ন কাজ বন্ধ করে দিয়েছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ নিয়ে বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি ও প্রধান শিক্ষক যৌথভাবে ইকবাল হোসনের বিরুদ্ধে শুক্রবার উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা ও ধর্মপাশা থানার ওসির কাছে লিখিত অভিযোগ করেছেন।
লিখিত অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, চলতি অর্থ বছরে উপজেলার সলপ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভবন সংস্কার ও মেরামত কাজের প্রাথমিক শিক্ষার জন্য উন্নয়ন প্রকল্পের (পিডিবি-৩) আওতায় এক লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়। বিদ্যালয়ের সভাপতি মো. আব্দুস সালাম ও প্রধান শিক্ষক সৈয়দ শামছুদ্দোহা শুক্রবার সকাল নয়টার দিকে বিদ্যালয়ের ভবন সংস্কার ও মেরামতের কাজের জন্য সেখানে কয়েকজন শ্রমিক নিয়োজিত করেন। কাজ শুরু হওয়ার ঘণ্টাখানেক পর সেলবরষ ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি ও নবনির্বাচিত ইউপি সদস্য ইকবাল হোসেন সেখানে যান এবং বিদ্যালয়ের সভাপতি ও প্রধান শিক্ষকের সাথে তাঁর (ইকবাল) কথা শেষ না হওয়া পর্যন্ত শ্রমিকদেরকে কাজ বন্ধ রেখে চলে যেতে বলেন।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সৈয়দ শামছুদ্দোহা জানান, ইকবাল হোসেন তাঁর কাছে ১০ হাজার টাকা চাঁদা দাবি করেছেন। টাকা না দেওয়ায় কাজে নিয়োজিত শ্রমিকদের সেখান থেকে বিদায় করে দিয়ে কাজ বন্ধ করে দিয়েছেন।
ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি মো. আব্দুস সালাম জানান, ইকবাল হোসেনের ভয়ে কাজ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। ঘটনার সঠিক তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য জোর দাবি জানান তিনি।
অভিযুক্ত ইকবাল হোসেন নিজেকে ম্যানেজিং কমিটির দাতা সদস্য দাবি করে জানান, তাঁর বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ মিথ্যা ও বানোয়াট। বিদ্যালয়ের উন্নয়ন কাজের জন্য কত টাকা বরাদ্দ এসেছে তা জানতে সেখানে গিয়েছিলেন তিনি।
উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা রোকেয়া আক্তার খাতুন জানান, এ সংক্রান্ত একটি অভিযোগ পেয়েছেন। এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান তিনি।
ধর্মপাশা থানার ওসি মো. গোলাম কিবরিয়া জানান, তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
- সিসি ক্যামেরা লাগান, অপরাধপ্রবণতা কমবে -স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
- ছাতকের পল্লীতে হাঁস নিয়ে দু’পক্ষের সংঘর্ষে আহত ১০


