২১ ইউনিয়নে নৌকার ৭

সু.খবর রিপোর্ট
জেলার ৩ উপজেলার ২১ ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের ৭ জন প্রার্থী বিজয়ী হয়েছেন। এছাড়াও আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী ৬ জন, বিএনপির ৩ জন, জাতীয় পার্টির ১ জন এবং স্বতন্ত্র ৪ প্রার্থী বিজয়ী হয়েছেন।
জগন্নাথপুর উপজেলার ৭ ইউনিয়নের মধ্যে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী ৩ জন, বিএনপি ১ জন, স্বতন্ত্র ১ জন এবং বিদ্রোহী ২ জন প্রার্থী বিজয়ী হয়েছেন। বিশ^ম্ভরপুর উপজেলার ৫ ইউনিয়নের মধ্যে আওয়ামীলীগ মনোনীত ১ জন, বিএনপি ১ জন, জাতীয় পার্টি মনোনীত ১ জন, আওয়ামী লীগ বিদ্রোহী ২ জন বিজয়ী হয়েছেন। দিরাই উপজেলায় আওয়ামী লীগ মনোনীত ৩ জন, আওয়ামী লীগ বিদ্রোহী ২ জন, বিএনপির ১ জন এবং স্বতন্ত্র ৩ জন বিজয়ী হয়েছেন।
চতুর্থ ধাপের ইউপি নির্বাচনে জেলার তিন উপজেলার ২১ ইউনিয়নে ১২৭ চেয়ারম্যান প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন। রবিবার শান্তিপূর্ণভাবে জেলার তিন উপজেলার ২১ ইউনিয়নে ২১০টি ভোট কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। সকাল ৮টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত একটানা ভোট গ্রহণ করা হয়।
জগন্নাথপুর উপজেলার কলকলিয়া ইউনিয়নে বিএনপি নেতা রফিক মিয়া (আনারস), পাটলী ইউনিয়নে আওয়ামী লীগ মনোনীত নৌকা প্রতীকের প্রার্থী সাবেক চেয়ারম্যান আঙ্গুর মিয়া, চিলাউড়া-হলদিপুর ইউনিয়নে আওয়ামী লীগ বিদ্রোহী (আনারস) শহীদুল ইসলাম বকুল, রানীগঞ্জ ইউনিয়নে আওয়ামী লীগ মনোনীত নৌকা প্রতীকের প্রার্থী সদরুল ইসলাম, সৈয়দপুর-শাহারপাড়া ইউনিয়নে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী আবুল হাসান, আশারকান্দি ইউনিয়নে আওয়ামী লীগ বিদ্রোহী (মোটরসাইকেল) আয়ুব খান, পাইলগাঁও ইউনিয়নে বর্তমান চেয়ারম্যান স্বতন্ত্র প্রার্থী মখলিছ মিয়া (ঘোড়া) বিজয়ী হয়েছেন।
বিশ^ম্ভরপুর উপজেলার পলাশ ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী উপজেলা যুবলীগ সাধারণ সম্পাদক মো. সোহেল আহমদ, ধনপুর ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী মো. মিলন মিয়া, সলুকাবাদ ইউনিয়নে আওয়ামী লীগ মনোনীত নৌকা প্রতীকের প্রার্থী বর্তমান চেয়ারম্যান নুরে আলম সিদ্দিকী, দক্ষিণ বাদাঘাট ইউনিয়নে উপজেলা বিএনপি’র সভাপতি, সাবেক চেয়ারম্যান মো. ছবাব মিয়া, ফতেপুর ইউনিয়নে জাতীয় পার্টির মো. ফারুক আহমদ বিজয়ী হয়েছেন।
দিরাই উপজেলার রফিনগর ইউনিয়নে আওয়ামী লীগ মনোনীত নৌকা প্রতীকের প্রার্থী শৈলেন চন্দ্র দাস, ভাটিপাড়া ইউনিয়নে আওয়ামী লীগ বিদ্রোহী মিফতাহ চৌধুরী (মোটর সাইকেল), রাজানগর ইউনিয়নে যুবলীগ নেতা জহিরুল ইসলাম (চশমা), চরনারচর ইউনিয়নে আওয়ামী লীগ বিদ্রোহী পরিতোষ রায় (আনারস), সরমঙ্গল ইউনিয়নে বিএনপি নেতা মো. মোয়াজ্জেম হোসেন (চশমা), করিমপুর ইউনিয়নে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী লিটন চন্দ্র দাস, জগদল ইউনিয়নে আওয়ামী লীগ মনোনীত নৌকা প্রতীকের প্রার্থী হুমায়ুন রশীদ লাভলু, তাড়ল ইউনিয়নে স্বতন্ত্র আলী আহমদ (চশমা), কুলঞ্জ ইউনিয়নে যুবলীগ নেতা একরার হোসেন (মোটর সাইকেল) বিজয়ী হয়েছেন।
প্রসঙ্গত, জগন্নাথপুর উপজেলার জগন্নাথপুরের ৭ ইউনিয়নে ৩৭ জন চেয়ারম্যান প্রার্থী, সংরক্ষিত নারী প্রার্থী ৮৯ জন এবং সাধারণ সদস্য (মেম্বার) পদে ২৩৪ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন। পাটলী ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ডের বর্তমান মেম্বার খালিক হাসান খালেদ বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতা সাধারণ সদস্য পদে নির্বাচিত হয়েছে। ৭৭টি কেন্দ্রে বুথের সংখ্যা ছিল ৩৭৫টি। প্রতিটি ভোট কেন্দ্রে একজন করে মোট ৭৭ জন প্রিজাইডিং কর্মকর্তা, নিয়োজিত ছিলেন। এছাড়াও সহকারী প্রিজাইডিং কর্মকর্তা ৩৭৫ জন এবং ৭৭০ জন পোলিং অফিসার দায়িত্ব পালন করেন। ভোটার ছিলেন ১ লাখ ৪০ হাজার ৭২ জন।
বিশ^ম্ভরপুর উপজেলার ৫ ইউনিয়নে বিশ^ম্ভরপুরের ৫ ইউনিয়নে ৩১ জন, সাধারণ সদস্য ও সংরক্ষিত সদস্য আসনে ২৮৮ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন। উপজেলার পাঁচটি ইউনিয়নে মোট ভোটার সংখ্যা ১ লক্ষ ১০ হাজার ৮০৫ জন। ভোট কেন্দ্র রয়েছে ৪৭টি।
দিরাই উপজেলার ৯ টি ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে ৫৯ জন, সংরক্ষিত নারী আসনে ১০৯ জন ও সাধারণ সদস্য পদে ৩৬১ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন। ৮৬ টি কেন্দ্রে ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন ভোটাররা।