স্টাফ রিপোর্টার
সুনামগঞ্জে নতুন করে হোম কোয়ারেন্টাইনে গেছেন ২৭ জন। এর মধ্যে ছাতক উপজেলার ২০ জন, তাহিরপুর উপজেলার ৫ জন ও জগন্নাথপুর উপজেলার ২ জন। ছাড়পত্র পেয়েছেন ৪০ জন। আইসোলেসনে গেছেন ২৩ জন। এরমধ্যে সুনামগঞ্জ সদর উপজেলায় ৪ জন, দোয়ারাবাজার উপজেলায় ৫ জন, দিরাই উপজেলায় ৩ জন, ছাতক উপজেলায় ৫ জন, জগন্নাথপুর উপজেলায় ২
ও দক্ষিণ সুনামগঞ্জ উপজেলায় ৪ জন। সুস্থ হয়েছেন আরও ৫ জন। এরমধ্যে বিশ^ম্ভরপুর উপজেলার ৩ জন, জামালগঞ্জ উপজেলার ১ জন ও ছাতক উপজেলার ১ জন। শুক্রবার সিভিল সার্জনের কার্যালয় সূত্রে এই তথ্য জানা যায়।
জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, এ পর্যন্ত কোয়ারেন্টাইনে গেছেন ৫ হাজার ৬শত ৩১ জন। কোয়ারেন্টাইন সম্পন্ন করেছেন ৫ হাজার ৩ শত ১৪ জন। বর্তমানে কোয়ারেন্টাইনে আছেন ৩১৭৬ জন। শুক্রবার পর্যন্ত আইসোলেসনে এসেছেন ৪১৮ জন। সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৯৯ জন। এ পর্যন্ত জেলায় করোনায় মৃত্যুবরণ করেছেন ৪ জন। এরমধ্যে ছাতক উপজেলার ৩ জন এবং জামালগঞ্জ উপজেলার ১ জন।
এদিকে বৃহস্পতিবার সুনামগঞ্জ নতুন করে আরও ১ জন পুরাতন রোগীসহ ২৩ জনের করোনা শনাক্ত হয়। সদর উপজেলায় ৪ জন, জগন্নাথপুর উপজেলায় ৭ জন, দোয়ারাবাজার উপজেলায় ৫ জন, দক্ষিণ সুনামগঞ্জ উপজেলায় ৪ জন এবং দিরাই উপজেলায় ৩ জন। বৃহস্পতিবার সিলেট শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ^বিদ্যালয়ের ল্যাবে ১৮৮ জনের নমুনা পরীক্ষায় এই ২২ জন শনাক্ত হন। এনিয়ে জেলায় শনাক্তের সংখ্যা দাঁড়ালো ৪১৮ জনে। সিলেট শামসুদ্দিন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন ছাতক উপজেলার ৩ জন এবং জগন্নাথপুর উপজেলার ১ জন। এখন পর্যন্ত ছাতক উপজেলায় সর্বোচ্চ করোনা শনাক্ত হয়েছে।
একজনের মধ্যে জেলায় প্রথম ভাইরাসটির সংক্রমণ শনাক্ত হয়েছিল। সেখান থেকে ধাপে ধাপে পরিবার, প্রতিবেশী হয়ে জেলার সর্বত্র ছড়িয়ে পড়েছে। এখন আমাদের সংক্রমণ এড়ানোর ওপর গুরুত্ব দিতে হবে। জরুরি প্রয়োজনে বাড়ির বাইরে যেতে হলে অবশ্যই মাস্ক ব্যবহার করতে হবে। স্বাস্থ্যবিধি মানুন, প্রয়োজন ছাড়া বাইরে বেরুবেন না, ঘরে অবস্থান করুন, নিরাপদ সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখুন। এটিই ভাইরাসটি প্রতিরোধের একমাত্র উপায়।


