শান্তিগঞ্জ অফিস
শান্তিগঞ্জের পশ্চিম বীরগাঁও ইউনিয়নের উপ্তিরপাড় গ্রামে পূর্ব বিরোধের জেরে গ্রামের মৃত. আব্দুল জলিলের ছেলে সাইফুল ইসলাম গংদের লোকজন বিরুদ্ধে একই গ্রামের প্রতিপক্ষ রমিজ খাঁর পক্ষের একজনকে বেধড়ক মারপিট করে তাদের ২টি নৌকা ও ১টি ইঞ্জিনসহ ট্রলি চুরি করে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। ঘটনাটি ঘটেছে পহেলা মে সোমবার গভীর রাতে।
এ ঘটনায় মঙ্গলবার সকালে উপ্তিরপাড় গ্রামের মৃত. আরব আলীর ছেলে আলী আহমদ চুরির ঘটনাটি মৌখিকভাবে শান্তিগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জকে জানান। এরপর শান্তিগঞ্জ থানার এস আই আবুল বাশারের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে গিয়ে গ্রামের দক্ষিণে মহাসিং নদী থেকে চুরি যাওয়া ২টি নৌকা উদ্ধার করা হয়।
রমিজ খাঁ জানান, আমাদের গ্রামের প্রতিপক্ষ মৃত আব্দুল জলিলের ছেলে সাইফুল ইসলামের নির্দেশে মৃত মমশ্বর আলীর ছেলে হেলাল উদ্দিন, মৃত. উস্তার আলীর ছেলে আলী পাশা, আসাদ মিয়ার ছেলে হোসাইন মিয়া, মৃত রফিক উল্ল্যার ছেলে জমশিদ মিয়া মনির উদ্দিনের ছেলে সুমন মিয়া, মৃত আইয়ূব উল্ল্যাহ’র ছেলে জরিপ উল্ল্যা গংরা গত পহেলা মে সোমবার গভীর রাতে আমার বাড়ির সামনের খলা থেকে আমার ইঞ্জিন লাগানো ট্রলি, একটি ৭০ মনা নৌকা এবং সামছুলের ২০ মনা নৌকা চুরি করে পাশে মরা মহাসিং নদীতে ডুবিয়ে রাখে।
এছাড়াও ঘটনার সময় আমাদের পক্ষের হাফিজ উদ্দিন চোরচক্রের সদস্যদের বাঁধা দিলে চোরচক্রের সদস্যরা তাকে লাঠিসোটা নিয়ে বেধড়ক মারপিট করে রক্তাক্ত জখম করে। হাফিজ উদ্দিন বর্তমানে সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
এ ব্যাপারে মো. সাইফুল ইসলামের সাথে মোবাইল ফোনে একাধিকবার যাগাযোগ করা হলে ফোন রিসিভ না করায় বক্তব্য জানা সম্ভব হয়নি।
শান্তিগঞ্জ থানার এস আই আবুল বাশার বলেন, চুরি যাওয়া নৌকা ২টি উপ্তিরপার গ্রামের পাশে মরা মহাসিং নদী থেকে উদ্ধার করে রমিজ খাঁ’র নিকট হস্তান্তর করা হয়েছে। তবে ইঞ্জিনসহ চুরি যাওয়া ট্রলিটি উদ্ধার করা যায়নি।
- দোয়ারায় পাড় কেটে কোটি টাকার বালু লুট/ এলাকাবাসীর মানববন্ধন
- মে দিবসের ভার্চুয়াল আলোচনা/ শ্রমিকদের ঐতিহাসিক ও ঐতিহ্যগত চরিত্রে ফিরে আসতে হবে


