তাহিরপুরে প্রতিপক্ষের ছুরিকাঘাতে কলেজ ছাত্র আহত

তাহিরপুর প্রতিনিধি
বাদাঘাট সরকারি কলেজ শাখা ছাত্রলীগের কমিটিতে সভাপতি প্রার্থী হওয়ায় এক কলেজের ছাত্রকে ছুরিকাঘাত করে পালিয়ে গেছে একই কলেজের প্রতিপক্ষ। গুরুতর আহত অবস্থায় তারেক আল মামুন নামের ওই কলেজ ছাত্রকে বৃহস্পতিবার রাত সোয়া ১০টার দিকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। তারেক আল মামুন উপজেলার বাদাঘাট সরকারি কলেজের ¯œাতক শিক্ষার্থী ও বড়দল উত্তর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান জামাল উদ্দিনের ভাতিজা।
জানা যায়, উপজেলার বাদাঘাট সরকারি কলেজে শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি প্রার্থী হিসাবে বেশ কিছুদিন ধরেই প্রচারণায় নামে তারেক আল মামুন। এরই জের ধরে একই কলেজের অপর শিক্ষার্থী পৈলনপুর গ্রামের মৃত. নুর ইসলামের ছেলে
আযহারুল ইসলাম সোহাগের নেতৃত্বে ৭/৮ জন সংগঠিত হয়ে বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে বাদাঘাট বাজারের বাদাম পট্টিতে তারেক আল মামুন কে আটক করে ধারালো চাপাতি ও ছুরি দিয়ে জখম করে। এক পর্যায়ে তারেককে মৃত ভেবে রাস্তায় ফেলে রেখে পালিয়ে যায়। পরে স্থানীয় ও পরিবারের লোকজন সংজ্ঞাহীন অবস্থায় তারেক আল মামুন কে উদ্ধার করে রাত সোয়া ১০ টার দিকে সংজ্ঞাহীন অবস্থায় তাহিরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে।’
আহতর চাচা উপজেলার বড়দল উত্তর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক ইউপি চেয়ার‌্যান জামাল উদ্দিন জানান, তারেক আল মামুন বাদাঘাট সরকারি কলেজ ছাত্রলীগ শাখার সভাপতি প্রার্থী হিসাবে বেশ কিছুদিন ধরেই সাংগঠনিক তৎপরতা চালিয়ে আসছিলো। কিন্ত একই কলেজের সোহাগ এটা মেনে নিতে পারেনি বলে ৭/৮ জন সংঘবব্ধ হয়ে পূর্ব পরিকল্পিত ভাবে রাতের আঁধারে আমার ভাতিজার মাথা ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে কুপিয়ে মেরে ফেলতে চেয়েছিলো।
এ ব্যাপারে সোহাগের বক্তব্য জানতে কয়েক দফা মুঠোফোনে কল করা হলেও তিনি কল রিসিভ করেননি।
তাহিরপুর থানার ওসি (তদন্ত)  মো. আসাদুজ্জমান হাওলাদার ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, জড়িতদের গ্রেফতার করার চেষ্টা চলছে এবং এ ঘটনায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।