কিচেন মার্কেটে আবর্জনা ও কাদা থাকে ১২ মাস

পুলক রাজ
মার্কেটের সামনে পিছনে এবং ভিতরে ময়লা আবর্জনা ও সড়কে কাদা থাকে ১২ মাস। সুনামগঞ্জ পৌর শহরের কিচেন মার্কেট সংলগ্ন সড়কে প্রতিদিনই জমে আবর্জনা ও কাদা পানি। এ ভোগান্তি থেকে কোনো মতেই মুক্তি মিলছে না পথচারীদের। ফুটপাত দিয়েও হাঁটার কোনো উপায় নেই। ফুটপাতগুলো দোকানিরা দখল করে রেখেছে। এই সড়কের ফুটপাতে সবজি দোকান ও পান-সিগারেট, বিক্রেতারা বসে। কেউ বেঞ্চ বা গাড়ি বসিয়ে আবার কেউ দোকানের মালামাল ফুটপাতের ওপর রেখে এর দখল বজায় রেখেছেন। সমস্যা সমাধানে পৌর কর্তৃপক্ষকে দ্রুত পদক্ষেপ নেবার দাবি জানিয়েছেন ব্যবসায়ী ও ক্রেতারা।
জানা যায়, কিচেন মার্কেট’র মাছ ব্যবসায়ীরা প্রতিদিন ট্রাকে করে মাছ আনেন এবং ওই মাছের নোংরা পানি কিচেন মার্কেটের সামনে এবং ভিতরে ফেলা হয়। পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা না থাকায় পানি জমে থাকে সড়কে। এছাড়াও বর্জ্য ফেলার পরিবেশ বান্ধব কোন পদ্ধতিও অনুসরণ করা হচ্ছে না। পথচারী ও স্থানীয়দের অভিযোগ, কিচেন মার্কেট ক্রমশ: নোংরা দুর্গন্ধময় হয়ে ওঠেছে ।
সবজি ব্যবসায়ী মো. জুয়েল বলেন, প্রতিদিন ট্রাকে করে মাছ আনা হয় এবং মাছের পানি ফেলা হয় কিচেন মার্কেটের সামনে। পানি যখন জায়গা মতো যেতে পারে না তখন ধুলাবালি ও আবর্জনা জমে কাদায় পরিণত হয় । ক্রেতা বুলবুল মিয়া বলেন, কিচেন মার্কেটের অবস্থা খুব করুণ। সবজি বা মাছ ক্রয় করতে গেলে নোংরা পানি এবং কাদা মাড়াতে হয়।
ক্রেতা ইসরাত জাহান বলেন, কিচেন মার্কেট এত খারাপ হয়েছে যে মার্কেটের ভিতরে যেতে ইচ্ছে হয় না, নোংরা পানি এবং কাদামাটির জন্য হাঁটা যায় না।
সুনামগঞ্জ পৌরসভার মেয়র নাদের বখত বলেন, পৌর কিচেন মার্কেটের সকল সমস্যা শীঘ্রই সমাধান করা হবে। পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা করা হবে।’
তিনি বলেন, কিচেন মার্কেটের ভিতরে পানি ফেলেন মাছ ব্যবসায়ীরা। তাদের উচিৎ গুছিয়ে ব্যবসা করা। মাছের ট্রাক ঢুকে যাতে বাজারের ক্ষতি না করে সেটা খেয়াল রাখা দরকার। ট্রাক দূরে রেখে মাছ বাজারে নেওয়াও সম্ভব। পৌর কিচেন মার্কেটকে পরিচ্ছন্ন রাখতে সবার সহযোগিতা প্রয়োজন।