স্টাফ রিপোর্টার
সদর উপজেলার রঙ্গারচর ইউনিয়নের চার নম্বর ওয়ার্ডের নাগরিকদের পক্ষ থেকে ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল হাই’এর বিরুদ্ধে কোভিড’১৯এর আওতায় ত্রাণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার অধীনে সরকারের দেওয়া ২৫০০ টাকা অনুদানের তালিকায় একই পরিবারের একাধিক ব্যক্তি এবং খাদ্যবান্ধব তালিকায়ও অনিয়মের অভিযোগ আনা হয়েছে। ওয়ার্ডবাসী দুইমাস আগে এ ধরণের লিখিত অভিযোগ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে দিয়েছেন। গত বৃহস্পতিবার আবার এলাকাবাসীর পক্ষ থেকে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার সঙ্গে দেখা করে এব্যাপারে তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানানো হয়।
ওয়ার্ডবাসীর লিখিত অভিযোগে বলা হয়, খাদ্যবান্ধব কর্মসূচীর ভিজিডির তালিকায় অনেক দরিদ্র মানুষকে যুক্ত না করে একই পরিবারের একাধিক ব্যক্তি এবং প্রবাসী, এমনকি ওয়ার্ডের বিরামপুর গ্রামের মৃত আশরাফ আলীর ছেলে আসমত আলীর মৃত্যুর পরেও ৮ মাস তার নামে চাল উত্তোলন করা হয়েছে। স্থানীয় ডিলার মো. শামছুল হক চাল উত্তোলন করে বিক্রি করেছেন এবং ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল হাই তাতে সহায়তা করেছেন বলে দাবি করা হয়।
এলাকাবাসীর পৃথক আরেকটি আবেদনে উল্লেখ করা হয়, কোভিড’১৯’এর দুর্যোগকালে সরকার কর্তৃক দেওয়া ২৫০০ টাকার আর্থিক অনুদানের তালিকায় একই পরিবারের একাধিক ব্যক্তির নাম দিয়ে অনেক অসহায় ব্যক্তিকে বঞ্চিত করা হয়। লিখিত অভিযোগে দাবি করা হয় তদন্তে এসব অনিয়মের সত্যতা বেরিয়ে আসবে।
ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল হাই এসব অভিযোগ প্রসঙ্গে বলেন, ভিজিডি’র চাল বিতরণ করেন ডিলার, এই বিষয়ে আমাদের সম্পৃক্ততা নেই। আমাকে অভিযুক্ত করা যাবে না। ২৫০০ টাকার সহায়তার তালিকা আমি দেবার পর দুই দফা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে যাচাই-বাছাই করে চূড়ান্ত করা হয়েছে। এই বিষয়েও অনিয়ম হলে কেবল আমাকে দায়ী করা ঠিক হবে না। তালিকায় অনিয়ম হবার অভিযোগও আমার জানামতে সত্য নয়।
সুনামগঞ্জ সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইয়াসমিন রুমা এ প্রসঙ্গে বলেন, আমার কাছে ওই এলাকার কয়েকজন কিছুদিন আগে একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছিলেন। এরা তিনদিন আগে আবার এসে এই অভিযোগের ফটোকপি দেখিয়ে এই বিষয়ে খোঁজ নিয়েছিলেন। আমি তাদের জানিয়েছি, বিষয়টি তদন্ত করার জন্য একজন কর্মকর্তাকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
- ডেল্টা প্লানে হাওরকে হটস্পট হিসাবে বিবেচনায় রাখা হয়েছে -পানিসম্পদ সচিব
- তাহিরপুরে শহীদনূর হত্যা মামলায় ৬ আসামীকে অব্যাহতি দেওয়ায় সংবাদ সম্মেলন


