ছাতক প্রতিনিধি
ছাতকে প্রায় ২ মাসে ধরে নিখোঁজ রয়েছে ডায়না বেগম নামের এক স্কুল ছাত্রী। দীর্ঘ দু’মাসেও তাকে উদ্ধার করতে পারেনি আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী। এ নিয়ে অজানা আতংকে দিন কাটাচ্ছেন ডায়নার পরিবার। এদিকে সক্রিয় একটি দালাল চক্র ডায়নাকে ফিরিয়ে দিতে মোটা অংকের মুক্তিপণ দাবি করছে এবং পাশাপাশি বিভিন্ন ধরনের ভয়-ভীতি প্রদর্শনসহ প্রতিনিয়ত হুমকী দিচ্ছে বলে নিখোঁজ ডায়নার পরিবারের লোকজন জানিয়েছে।
জানা যায়, উপজেলার জাউয়াবাজার ইউনিয়নের মুলতানপুর গ্রামের ফলা উল্লাহর কন্যা ও পাইগাঁও উচ্চ বিদ্যালয়ের ১০ম শ্রেণির ছাত্রী ডায়না বেগম নিখোঁজ হয় গত ৩০ মে রাতে। ওই রাতে প্রকৃতির ডাকে ঘর থেকে বের হলেও সে আর ঘরে ফিরে আসেনি। এ ঘটনায় ডায়নার মা ফুলতেরা বেগম ৩ জুন ছাতক থানায় একটি জিডি (নং-১১৫) করেন। নিখোঁজের প্রায় ১ মাস ২৬ দিন অতিবাহিত হলেও তাকে উদ্ধার ও নিখোঁজে রহস্য উদঘাটন করতে পারেনি আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী।
ডায়নার বড় ভাই জয়নাল আবেদীন জানান, নিখোঁজের পর থেকেই একটি চক্র অজ্ঞাত স্থান থেকে বিভিন্ন মোবাইল নাম্বার ব্যবহার করে বিভিন্ন সময়ে ফোন করে মোটা অংকের মুক্তিপণ করে আসছে। ডায়নার মুক্তির জন্য ওই চক্রকে সাড়ে ৪ লাখ টাকা দিতে হবে। অন্যথায় তার বিবস্ত্র ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেইসবুকে আপলোড করার হুমকীও দিচ্ছে ওই চক্রটি। মুক্তিপণের টাকা পাঠানোর জন্য তারা বিকাশ একাউন্ট নাম্বারও দিয়েছে। ইতিমধ্যে ডায়না ও তার পরিবারের বিরুদ্ধে মনগড়া মিথ্যা, বানোয়াট ও অশালিন কথা-বার্তা লিখে অপপ্রচার চালিয়ে ওই চক্রটি প্রশাসন ও সাধারন মানুষকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করছে। অর্থলোভি এ চক্রটি ডায়নার স্বাভাবিক জীবন ও সতীত্ব নষ্টসহ তাকে হত্যা করে লাশ গুম করার হুমকীও দিচ্ছে। এ দালাল চক্রের হাত থেকে তাকে উদ্ধার করে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন ডায়না বেগমের বড় ভাই জয়নাল আবেদীন।
এ ব্যাপরে ছাতক থানার ওসি শেখ নাজিম উদ্দিন জানান, মেয়েটিকে উদ্ধারের চেষ্টা চলছে। উদ্ধারের পর নিখোঁজের রহস্য ভেদ করা সম্ভব হবে।
ছাতকে নিখোঁজ স্কুল ছাত্রী
দু’মাসেও উদ্ধার হয়নি
ছাতক প্রতিনিধি
ছাতকে প্রায় ২ মাসে ধরে নিখোঁজ রয়েছে ডায়না বেগম নামের এক স্কুল ছাত্রী। দীর্ঘ দু’মাসেও তাকে উদ্ধার করতে পারেনি আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী। এ নিয়ে অজানা আতংকে দিন কাটাচ্ছেন ডায়নার পরিবার। এদিকে সক্রিয় একটি দালাল চক্র ডায়নাকে ফিরিয়ে দিতে মোটা অংকের মুক্তিপণ দাবি করছে এবং পাশাপাশি বিভিন্ন ধরনের ভয়-ভীতি প্রদর্শনসহ প্রতিনিয়ত হুমকী দিচ্ছে বলে নিখোঁজ ডায়নার পরিবারের লোকজন জানিয়েছে।
জানা যায়, উপজেলার জাউয়াবাজার ইউনিয়নের মুলতানপুর গ্রামের ফলা উল্লাহর কন্যা ও পাইগাঁও উচ্চ বিদ্যালয়ের ১০ম শ্রেণির ছাত্রী ডায়না বেগম নিখোঁজ হয় গত ৩০ মে রাতে। ওই রাতে প্রকৃতির ডাকে ঘর থেকে বের হলেও সে আর ঘরে ফিরে আসেনি। এ ঘটনায় ডায়নার মা ফুলতেরা বেগম ৩ জুন ছাতক থানায় একটি জিডি (নং-১১৫) করেন। নিখোঁজের প্রায় ১ মাস ২৬ দিন অতিবাহিত হলেও তাকে উদ্ধার ও নিখোঁজে রহস্য উদঘাটন করতে পারেনি আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী।
ডায়নার বড় ভাই জয়নাল আবেদীন জানান, নিখোঁজের পর থেকেই একটি চক্র অজ্ঞাত স্থান থেকে বিভিন্ন মোবাইল নাম্বার ব্যবহার করে বিভিন্ন সময়ে ফোন করে মোটা অংকের মুক্তিপণ করে আসছে। ডায়নার মুক্তির জন্য ওই চক্রকে সাড়ে ৪ লাখ টাকা দিতে হবে। অন্যথায় তার বিবস্ত্র ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেইসবুকে আপলোড করার হুমকীও দিচ্ছে ওই চক্রটি। মুক্তিপণের টাকা পাঠানোর জন্য তারা বিকাশ একাউন্ট নাম্বারও দিয়েছে। ইতিমধ্যে ডায়না ও তার পরিবারের বিরুদ্ধে মনগড়া মিথ্যা, বানোয়াট ও অশালিন কথা-বার্তা লিখে অপপ্রচার চালিয়ে ওই চক্রটি প্রশাসন ও সাধারন মানুষকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করছে। অর্থলোভি এ চক্রটি ডায়নার স্বাভাবিক জীবন ও সতীত্ব নষ্টসহ তাকে হত্যা করে লাশ গুম করার হুমকীও দিচ্ছে। এ দালাল চক্রের হাত থেকে তাকে উদ্ধার করে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন ডায়না বেগমের বড় ভাই জয়নাল আবেদীন।
এ ব্যাপরে ছাতক থানার ওসি শেখ নাজিম উদ্দিন জানান, মেয়েটিকে উদ্ধারের চেষ্টা চলছে। উদ্ধারের পর নিখোঁজের রহস্য ভেদ করা সম্ভব হবে।


