জগন্নাথপুর অফিস
জগন্নাথপুরে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে নবম শ্রেণীর এক স্কুল ছাত্রীকে ধর্ষণ ও ধর্ষণের ভিডিও প্রচার করার ঘটনায় এলাকায় তোলপাড় চলছে। জগন্নাথপুর পৌরসভার মেয়র আব্দুল মনাফের বাড়ির পাঞ্জেগানা মসজিদের ইমামের কক্ষে এই ঘটনা ঘটে। অভিযুক্ত ধর্ষক আফজল হোসেন পৌর মেয়রের ভাতিজা মানিক মিয়ার ছেলে।
ঘটনার অভিযোগে মেয়েটির বাবা বাদী হয়ে জগন্নাথপুর থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন এবং তথ্য যোগাযোগ প্রযুক্তি আইনে মামলা দায়ের করেছেন। পুলিশ ধর্ষণের ঘটনায় সহযোগিতা করার অপরাধে সোমবার মধ্যরাতে মসজিদের ইমাম আমিনুর রহমান (৩০) কে গ্রেফতার করেছে।
মামলার বিবরণ দিয়ে জগন্নাথপুর থানা পুলিশ জানায়, জগন্নাথপুর পৌর এলাকার হবিবপুর মাঝপাড়া গ্রামের মানিক মিয়ার ছেলে আফজল হোসেনের সাথে আব্দুস ছোবহান উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণীর এক ছাত্রীর প্রেমের সর্ম্পক ছিল। বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে গত ২ মে আফজল মেয়েটিকে তার বাড়ির নিকটে জগন্নাথপুর পৌরসভার মেয়র আব্দুল মনাফের পাঞ্জেগানা মসজিদের ইমামের কক্ষে নিয়ে যায়। সেখানে মেয়েটিকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ধর্ষণ করে এবং বন্ধু লেচু মিয়াকে দিয়ে ধর্ষণের ভিডিও রের্কড করে পরে তা মুঠোফোনে ছেড়ে দেয়। বিষয়টি জানাজানি হলে মেয়েটি ঘটনাটি পরিবারকে জানায়। পরে পরিবারের লোকজন সোমবার জগন্নাথপুর থানায় এ ঘটনায় মামলা দায়ের করেন। মামলা রের্কডের পর সোমবার মধ্যরাতেই মসজিদের ইমাম আমিনুর রহমান (৩০) কে থানা পুলিশ গ্রেফতার করে। মঙ্গলবার আদালতে ধর্ষিতার জবানবন্দি রের্কড ও গ্রেফতারকৃত ইমাম আমিনুর রহমানের স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি রের্কড করা হয়। এদিকে নবমশ্রেণীর স্কুল ছাত্রীকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ধর্ষণ করে ভিডিওচিত্র প্রকাশ করার ঘটনায় সর্বত্র নিন্দার ঝড় বইছে। এলাকাবাসী অবিলম্বে ঘটনার সাথে জড়িতদের গ্রেফতার করে দৃষ্টান্তমুলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।
আজ বুধবার ডাক্তারি পরীক্ষা শেষে মেয়েটিকে পরিবারের জিম্মায় দেয়া হবে বলে জানিয়েছেন জগন্নাথপুর থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি (তদন্ত) খান মোহাম্মদ মাইনুল জাকির। তিনি জানান, ঘটনায় মূল নায়ক আফজল হোসেন (২৫) কে গ্রেফতারের জোর চেষ্টা করছে পুলিশ।
- অসামাজিকতার দায়ে হোটেল রেজিয়া থেকে ৪ জন আটক- ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে দণ্ড-
- তাহিরপুরে ৪৯ প্রার্থীর ১৯ জন মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতায় ৪ ইউনিয়নে বিদ্রোহীরাও মূল লড়াইয়ে


