Deprecated: Required parameter $month follows optional parameter $hour in /home/sites/30a/d/d0e954554d/archive/wp-content/plugins/bangla-date-display/uCal.php on line 146

Deprecated: Required parameter $day follows optional parameter $hour in /home/sites/30a/d/d0e954554d/archive/wp-content/plugins/bangla-date-display/uCal.php on line 146

Deprecated: Required parameter $year follows optional parameter $hour in /home/sites/30a/d/d0e954554d/archive/wp-content/plugins/bangla-date-display/uCal.php on line 146

Deprecated: Required parameter $display_count follows optional parameter $sharing_type in /home/sites/30a/d/d0e954554d/archive/wp-content/plugins/sassy-social-share/public/class-sassy-social-share-public.php on line 292

Deprecated: Required parameter $total_shares follows optional parameter $sharing_type in /home/sites/30a/d/d0e954554d/archive/wp-content/plugins/sassy-social-share/public/class-sassy-social-share-public.php on line 292
জাহাঙ্গীরনগর, সদর উন্নয়ন নিয়ে প্রশ্ন জনগণের – সুনামগঞ্জের খবর » আঁধারচেরা আলোর ঝলক

জাহাঙ্গীরনগর, সদর উন্নয়ন নিয়ে প্রশ্ন জনগণের

আকরাম উদ্দিন
সদর উপজেলার জাহাঙ্গীরনগর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান প্রার্থীদের নির্বাচনী প্রচারণার দৌঁড়ঝাপ শুরু হয়েছে। দলীয় মনোনয়ন পেতে প্রার্থীরা উঠে পড়ে লেগেছেন। কিন্তু নির্বাচনী প্রচারণায় এখন এলাকার উন্নয়ন নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন জনগণ। এবার নির্বাচনী প্রচারণার পাশাপাশি ভোটারদের মধ্যে শুরু হয়েছে বিগত সময়ে এলাকায় উন্নয়ন নিয়ে নানা আলোচনা। ৩৫ হাজার জনগণের এই ইউনিয়নে রয়েছে ৩২টি গ্রাম। ভোটার রয়েছেন ১৫ হাজার ৮৭১ জন।
এবার জাহাঙ্গীরনগর ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে আ.লীগের বর্তমান ইউপি চেয়ারম্যান মো. আব্দুল কাদির, সাবেক চেয়ারম্যান মোকসেদ আলী, আ.লীগ নেতা ও সমাজকর্মী মো.শাহনুর, বিএনপি প্রার্থী ও সাবেক চেয়ারম্যান উছমান গণী ও মো. আবু তাহেরের নির্বাচনী প্রচারণা বেশি শুনা যাচ্ছে। তবে এইসব প্রার্থীদের মধ্যে আব্দুল কাদিরের বেশি প্রচার রয়েছে বলে জানান এলাকার জনগণ। সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসাবে ইদানিং পত্রিকায় প্রচার দিয়েছেন এলাকার বাসিন্দা রমজান আলীও।
সাধারণ ভোটাররা বয়স্ক ভাতা, প্রতিবন্দ্বী ভাতা বা মাতৃত্ব ভাতা, রাস্তা ঘাটের উন্নয়ন নিয়ে এখন প্রশ্ন তোলা শুরু করেছেন। কোনো কোনো এলাকায় নলকূপ সংকটের বিষয় দীর্ঘদিনের সমস্যা বলেও উলেখ করা হচ্ছে। এলাকায় নানা উন্নয়নমুলক কাজে জনপ্রতিনিধিদের স্বজনপ্রীতি রয়েছে এমন মন্তব্য করেন অনেকে। তাঁরা জানান, খাগেরগাঁও, নুরুজপুর, দুর্লভপুর, মালাইগাঁও, মঙ্গলকাটা, সফেরগাঁও, পুরাতন গোদিগাঁওসহ বিভিন্ন এলাকায়  প্রত্যাশিত উন্নয়ন হয়নি। এসব এলাকায় অনুন্নত আবাসিক রাস্তা-ঘাট, ব্রীজ, কার্লভার্ট ও নলকূপ সংকট রয়েছে। এছাড়াও এই এলাকায় বিচার সালিশীতে রয়েছে ঘুষ-দূর্নীতির প্রবণতাসহ রয়েছে মাদকের ছড়াছড়ি। তা প্রতিরোধের উদ্যোগ নেননি নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিরা। এলাকার একাধিক বাসিন্দা জানান, নির্বাচিত হওয়ার পর এলাকার উন্নয়নের বিষয়ে জনপ্রতিনিধিদের কাছে বললে, তখন তাঁরা বলেন, ‘আমরা বরাদ্দ পাই না। আমরারে বরাদ্দ দেয় না সরকারে।’
এ প্রসঙ্গে বর্তমান চেয়ারমান মো. আব্দুল কাদির বলেন, ‘আমি এলাকার উন্নয়নে যথাসাধ্য কাজ করেছি। এখনও উন্নয়ন কাজ চলছে। এখনও কিছু সমস্যা আছে তা সমাধানের চেষ্টা চলছে।’
নারায়তলা গ্রামের ভোটার নয়ন মিয়া বলেন, ‘বিগত সময়ে রাস্তা-ঘাটের আশানুরূপ উন্নয়ন হয়নি।’
সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী রমজান আলী বলেন, ‘মঙ্গলকাটা বাজার ও গ্রামের আবাসিক রাস্তা অবহেলিত। এলাকায় বয়স্ক ভাতা, প্রতিবন্ধি ভাতা, বিধবা ভাতা, মাতৃত্ব ভাতা বণ্টনে স্বজনপ্রীতি হয়। ’
মঙ্গলকাটার বৃদ্ধ আজমল আলী বলেন, ‘নির্বাচনের সময় এলাকায় এসে চেয়ারম্যান মেম্বারগণ ভোট নেয়ার জন্য নানা রকম উন্নয়নের অঙ্গিকার করেন। কিন্তু নির্বাচনে পাশ করার পর তাঁদের জবান পাল্টে যায়। এখন এইসব কথা শুনতে আর ভাল লাগে না।’
খাগেরগাঁওয়ের আবদুল আহাদ বলেন, ‘বিগত সময়ে আমাদের এলাকায় রাস্তা-ঘাটের কোনো উন্নয়ন হয়নি।’
মঙ্গলকাটা গ্রামের বাসিন্দা মনির আহমদ বলেন, ‘যারা অঙ্গিকার ঠিক রাখবেন তাদেরকে ভোট দেবো।’
সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. শাহনুর বলেন, ‘গত ৫ বছরে ইউনিয়ন এলাকায় দৃশ্যমান কোনো কাজ হয়নি। এলাকায় বিচার-শালিশীতে ঘুষ-দুনীতি রয়েছে, মাদকের ছড়াছড়ি আছে। তা প্রতিরোধ করার কেউ নেই। এখন এই প্রবণতা দিনে দিনে বৃদ্ধি পাচ্ছে।’
জাহাঙ্গীরনগর ইউনিয়নের বর্তমান চেয়ারম্যান মো. আবদুল কাদির বলেন, ‘আমার দায়িত্ব পালনে ইউনিয়নের সৈয়দপুর-ডলুরার প্রায় ৭ কি.মি. কাঁচা রাস্তা নির্মাণ করেছি। কাইয়ারগাঁও-চৌমুহনী কাঁচা রাস্তা নির্মাণ করেছি। মঙ্গলকাটা-ডলুরা রাস্তা আরসিসি ও গালা ঢালাই এবং মাটি ভরাটের কাজ করেছি। নিরাপদ পানি সংকট মেটাতে অনেক নলকূপ স্থাপন করেছি ইউনিয়নের বিভিন্ন স্থানে। স্যানিটেশন সমস্যা প্রায় ৬০ ভাগ সম্পন্ন হয়েছে। আরও ছোটখাটো সমস্যা সমাধানের আপ্রাণ চেষ্টা করছি।’