বিশেষ প্রতিনিধি
কেন্দ্রীয় বিএনপি’র সহ স্বাস্থ্য বিষয়ক সুনামগঞ্জের ডা. রফিক চৌধুরী না শরিয়তপুরের ডা. রফিকুল ইসলাম। এ নিয়ে বিভ্রান্তি দেখা দিয়েছে। ডা. রফিক চৌধুরী অবশ্য বলেছেন, গত ৭ বছর ধরেই কেন্দ্রীয় বিএনপি’র দপ্তরে আমার নাম ডা. রফিকুল ইসলাম উল্লেখ রয়েছে, এ নিয়ে বিভ্রান্তির সুযোগ নেই।
এক সময়ের ড্যাব নেতা ডা. রফিক চৌধুরী সুনামগঞ্জ-ধর্মপাশা-জামালগঞ্জ ও মধ্যনগর নির্বাচনী এলাকার ২০০৮ সালের বিএনপি’র মনোনয়নে সংসদ সদস্য প্রার্থী হয়ে পরাজিত হয়েছিলেন। পরে বিএনপির বিগত জাতীয় কাউন্সিলে কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য নির্বাচিত হন। জেলায় বিএনপি’র অভ্যন্তরীণ কোন্দল এবং তাঁর নিজের উপজেলা ধর্মপাশায় বিএনপির কোন্দলের কারণে সম্প্রতি ধর্মপাশা উপজেলা বিএনপি’র সভাপতি পদ হারান তিনি। ধর্মপাশায় বিএনপির সভাপতি হন দলে তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বি হিসাবে পরিচিত ধর্মপাশা উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আব্দুল মোতালেব খাঁন।
শনিবার বিএনপি’র কেন্দ্রীয় কমিটি বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশ হলে সহ স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক হিসাবে ডা. রফিকুল ইসলামের নাম প্রচার হয়।
জেলা বিএনপির আহ্বায়ক নাছির উদ্দিন চৌধুরী রোববার এ প্রতিবেদককে বলেন,‘বিএনপির সহ স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক হিসাবে যার নাম ছাপা হয়েছে, তিনি শরিয়তপুরের দামুড্ডা উপজেলার ডা. রফিকুল ইসলাম। এই রফিকুল ইসলাম ধর্মপাশার ডা. রফিক চৌধুরী নন। বিএনপি’র সমর্থক দৈনিক পত্রিকা দিনকালেও ডা. রফিকুল ইসলামের পরিচয় শরিয়তপুরের উল্লেখ রয়েছে’।
নাছির উদ্দিন চৌধুরী’র এমন বক্তব্য প্রসঙ্গে ডা. রফিক চৌধুরী বলেন, ‘নাছির উদ্দিন চৌধুরী শরিয়তপুরের বললেই হবে না কি? গত ৭ বছর ধরে বিএনপি’র কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য হিসাবে ডা. রফিকুল ইসলাম নামেই আমার চিঠি আসে, সময়ই সব সত্য বের করে দেবে’।
বিএনপি’র কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব মো. শাজাহান বলেন,‘এই নাম নিয়ে বিভ্রান্তি রয়েছে, যারা কমিটি করেছেন, তারাই এই বিষয়ে ভাল বলতে পারবেন’।
বিএনপি’র কেন্দ্রীয় মহাসচিব ফখরুল ইসলাম আলমগীরের মুঠোফোন বন্ধ পাওয়ায় এই বিষয়ে তাঁর বক্তব্য জানা যায়নি।
- ফিলিং স্টেশন ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার ভাংচুর গোবিন্দগঞ্জে ছাত্রদলের দু’গ্রুপের সংঘর্ষ, পুলিশসহ আহত ২০
- কেন্দ্রীয় বিএনপিতে সুনামগঞ্জের ৫ নেতা- কারা জেলার সভাপতি ও সম্পাদক হবেন?


