দাদির সাথে শাক তুলতে গিয়ে ধর্ষণের শিকার শিশু

স্টাফ রিপোর্টার
সুনামগঞ্জে দাদির সাথে শাক তুলতে গিয়ে ৬ বছরের শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে এক যুবকের বিরুদ্ধে। অভিযুক্ত ওই যুবকের নাম কবির (৩০)। সে দোয়ারাবাজার উপজেলার বাজিতপুর গ্রামের ওয়াব আলীর ছেলে।
রবিবার বিকালে দোয়ারাবাজার উপজেলার বাজিতপুর গ্রামের মসজিদের পাশে এই ঘটনা ঘটে। ঘটনার পর স্থানীয় শালিশের মাধ্যমে ধামাচাপা দেয়ার চেষ্টা চলে। পরে রাতে ব্যাথায় আর্তনাদ করতে দেখে সোমবার (৫ সেপ্টেম্বর) ধর্ষণের শিকার শিশুকে সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। নির্যাতিত শিশুটি স্থানীয় প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রথম শ্রেণির ছাত্রী।
জানা যায়, শিশুটি তার দাদিকে নিয়ে রবিবার বিকালে শাক তুলতে যায়। সে সময় সেখানে ছিলো অভিযুক্ত কবির। সে শিশুর দাদিকে আরও সামনে বেশি শাক আছে বলে দূরে পাঠিয়ে দেয়। এই ফাঁকে শিশুর হাত ও মুখ গামছা দিয়ে বেঁধে ধর্ষণ করে কবির। ধর্ষণের পর শিশুর হাতে টাকা দিয়ে শান্ত করতে চাইলে সে দৌঁড়ে বাসায় গিয়ে পরিবারের সবাইকে ঘটনাটি জানায়।
শিশুর বাবা জানান, আমি দিনমজুর মানুষ। জীবিকার তাগিদে সিলেটে কাজ করি। রাতে আমার মেয়ের খবর শুনি। বেশি রাত হওয়ায় কোনো যানবাহন না পেয়ে সকালে সোজা হাসপাতালে চলে আসি। এখন মেয়ের চিকিৎসা নিয়ে ব্যস্ত আছি। আমি কবিরের ফাঁসি ও সরকারের সহযোগিতা চাই।
সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালের মিডওয়াইফারি নার্স কুলসুমা বলেন, মেয়েটির সাথে রবিবার ঘটনা ঘটেছে। আমাদের হাসপাতালে এসেছে সোমবার সকালে। প্রাথমিক ভাবে তার কাপড়ে অনেক রক্ত লাগানো অবস্থায় পেয়েছি, কিছু ব্লিডিং হচ্ছে।
এ বিষয়ে দোয়ারাবাজার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) দেবদুলার ধর জানান, ঘটনাস্থলে এবং সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। পুলিশের রিপোর্ট অনুযায়ী আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।