দীপ্তি বৈষ্ণব’র দুইটি কবিতা

সিড়ি
আশার চাষ করে চলা স্বপ্নীল বেদীমূলে
উড়ান ঘুড়ির নাটাই ফেলে-
নিরুদ্দেশ আমি-
বেহুশ বেলার ভুলে।
শুরু থেকে শুরুর নিত্য যুদ্ধ
করুক না হয় অস্থি সুদ্ধ
সিঁড়ি ভেঙে হাঁটুক এক দু কদম
উচ্চ থেকে উচ্চে-
শ্রেষ্ঠ পলক খায়েশ বাঁধাক
আমার প্রাণের পুচ্ছে!
হাতছানি আর ইশারার-
জাল পাতা জালের নিগড়ে-
সিঁড়ি ভেঙে হাঁটা এক দু কদম –
প্রত্যাশা নাকি প্রত্যাশাই কেবল-
উপর থেকে উপরে!

বারণ
ওরে ও নীল ভোমরা….
কে কইছিলো পাখনা মেলার কথা?
শূন্যেই যদি গুনগুনাইবি –
মাখলি কেনে হার মোড়াইন্যা ব্যথা!
পাহাড় ছড়ির ওষুধ দিবি?
পোড়া মাটির মালিশ দিবি?
কি অইবো রে-ও কবিরাজ-
যেখানে যাবি যা!
বিশ্বাসেতে ধরছে পঁচন-স্বপ্নে আমার ঘাঁ!
কাঁটা পথে আর মাড়াইস না –
ফুলের পাঁপড়ি আর ছিঁড়াইস না
রঙের খেলা খেলতে আমার মানা!
তোর আদরে নীল চাঁদরে
সাজাইলি কেন এই ভাদরে
খেলখেলানি এই সাজ আমার জানা!
ওরে ও ভোমরা-
রঙের খেলা খেলতে আমার মানা!