দুর্বৃত্তদের নাগাল পাচ্ছে না পুলিশ

এমএ রাজ্জাক, তাহিরপুর
তাহিরপুর উপজেলায় রাতের আঁধারে কালী মন্দিরের মূর্তি ভাংচুরের ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঘটেছে। কালী মন্দিরে ঢুকে দৃবিত্তরা ১০টি মূর্তি ভাংচুরের ঘটনা ঘটালেও থানা পুলিশ এখন পর্যন্ত কোন অপরাধীদের ধরতে পারছে না।
সাধারণ মানুষ মনে করছেন, দিন দিন আইনশৃংখলার অবনতি ঘটছে। শুধু মূর্তি ভাংচুর নয়, চাঁদাবাজি, খুন, রাহাজানি, ডাকাতি, ধর্ষণ ,নারী নির্যার্তন, মিথ্যা মামলা দিয়ে ফাঁসিয়ে দেয়া নৈমিত্তিক ঘটনা হয়ে দাঁড়িয়েছে। আর এসব ঘটনার সঙ্গে জড়িত দুর্বৃত্তদের পুলিশ নাগাল না পাওয়ায় স্থানীয়রা আতংকের মধ্যে থাকছেন।
মূর্তি ভাংচুরের ঘটনায় উপজেলার বড়দল দক্ষিণ ইউনিয়নের টাকাটুকিয়া গ্রামের সার্বজনীন কালি মন্দিরের সাধারণ সম্পাদক বাবুল বর্মণ বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামাদের আসামী করে রবিবার রাতে থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন। এই নিয়ে কয়েকদিনের ব্যবধানে মূর্তি ভাংচুরের ঘটনায় থানায় ২টি মামলা দায়ের হয়েছে।
জানা যায়, উপজেলার টাকাটুকিয়া সার্বজনীন কালী মন্দিরে থাকা ১০টি মূর্তি শনিবার রাতের আঁধারে একদল দুবৃত্ত ভেঙে ফেলে রেখে যায়। গত ফেব্রুয়ারি মাসে উপজেলার বড়দল উত্তর ইউনিয়নের পৈলনপুর গ্রামের চৌধুরী বাড়িতে প্রথম দফায় ২টি কালিমূর্তি ভাংচুর করলে  
পরদিন মন্দিরের পুরোহিত বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা আসামী করে থানায় মামলা দায়ের করলেও এখন পর্যন্ত কালিমূর্তি ভাংচুরকারী দুর্বৃত্তদের নাগাল পাচ্ছে না থানা পুলিশ।
জেলা হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষেদের জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক অ্যাড. বিশ^জিৎ চক্রবর্তী বলেন,‘ মুর্তি ভাংচুরের ঘটনায় দুর্বৃত্তদের আইনের আওতায় নিয়ে আসার জন্য পুলিশ সুপার মো. হারুন অর রশীদ খুবই আন্তরিক আছেন। বিষয়টি রবিবার জেলা আইনশৃংখলা কমিটির সভাতেও আলোচনা হয়েছে।’
তাহিরপুর থানার ওসি নন্দন কান্তি ধর জানান, মুর্তি ভাংচুরের ঘটনায় দুবর্বৃত্তদের শনাক্তকরণে পুলিশের চেষ্টা অব্যাহত আছে বলে।