কাজী জমিরুল ইসলাম মমতাজ, দ.সুনামগঞ্জ
দেশেও দ্রুত গতিতে সংক্রমণ ঘটছে করোনা ভাইরাসের। বর্তমান সময়ে লক্ষণ ছাড়াও করোনা আক্রান্ত হয়েছেন অনেকে। দক্ষিণ সুনামগঞ্জ উপজেলাও এর ব্যতিক্রম নয়। ইতিমধ্যেই পল্লী চিকিৎসক জাহাঙ্গীর হোসেন করোনায় আক্রান্ত হওয়ায় আতংক বিরাজ করছে উপজেলা জুড়ে।
দক্ষিণ সুনামগঞ্জে উপজেলায় করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ৩০ জন। করোনার এই পরিস্থিতিতে সবচেয়ে বেশি মানুষের সংস্পর্শে আছেন ঔষধের ব্যবসায়ীরা। প্রতিদিনই নানান মানুষের সাথে সংস্পর্শ হচ্ছে তাদের। করোনার সংক্রমণ রোধে উপজেলার দ্রুত ঔষধ ব্যবসায়ীদের নমুনা পরীক্ষার দাবি জানিছেন উপজেলার সর্বস্তরের মানুষ।
এদিকে উপজেলায় করোনা আক্রান্ত বাড়লেও মানুষের নেই কোন সচেতনতা। স্বাস্থ্যবিধির তোয়াক্কা না করেই বাজারে বাজারে মানুষের ঢল। এখানে নেই কোন সামাজিক দূরত্ব। এমনকি মাস্কও পড়েন না অনেকে। ফলে করোনা সংক্রমণের আশংকা উপজেলায় তুলনামূলকভাবে বেশি। করোনার সংক্রমণ বৃদ্ধি পাওয়ায় লকডাউনের পক্ষেও মত দিচ্ছেন অনেকে।
সচেতন মহলের দাবি সরকারি নজরদারি ও প্রশাসনিক তৎপরতা বাড়ালেই সংক্রমণের হাত থেকে কিছুটা হলেও রক্ষা পাবে মানুষ।
কথা হলে উপজেলার অনেকেই জানান, যেহেতু লক্ষণ ছাড়া করোনা আক্রান্ত হচ্ছে সেহেতু আমাদের নিরাপত্তার জন্য উপজেলার প্রত্যেকটি বাজারের ঔষধ ব্যবসায়ীদের করোনা পরীক্ষা করা উচিত। তা না হলে করোনার হটস্পট হয়ে যাবে পুরো উপজেলা।
উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মো. জসিম উদ্দিন বলেন, ফার্মেসী ব্যবসায়ী ও ফার্মাসিস্টগণ খুবই ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় সেবা দিয়ে যাচ্ছেন। এজন্য উনাদেরকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি। তবে উনাদের নিজেদের ও পরিবার তথা সমাজের সকলের স্বার্থে অনুরোধ করবো সবাই যেনো করোনা পরীক্ষা করিয়ে নেন। বিশেষ করে যাদের সর্দি, কাশি, জ্বর, গলা ব্যথা উপসর্গ যাদেও আছে।
এ ব্যাপারে দক্ষিণ সুনামগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার জেবুন নাহার শাম্মী বলেন, করোনা পরীক্ষা করাতে কোন টাকা লাগে না। সেহেতু আমি উপজেলার সকল ঔষধ ব্যবসায়ীদের বলে দেব তারা যেন বাধ্যতামূলক করোনা পরীক্ষা করে নেন।


