বন্দুকের লাইসেন্স নবায়নে জগন্নাথপুরে অতিরিক্ত টাকা আদায়ের অভিযোগ

জগন্নাথপুর অফিস
জগন্নাথপুর উপজেলায় বন্দুকের লাইসেন্স নবায়নে অতিরিক্ত টাকা আদায়ের অভিযোগ উঠেছে। গত সোমবার উপজেলা পরিষদের রাধারমণ দত্ত মিলনায়তনে নবায়ন কার্যক্রম পরিচালনার সময় জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সহকারী কমিশনার ভূমি আবদুল মান্নান প্রতি লাইসেন্স প্রতি এক হাজার ৫০০ টাকা করে অতিরিক্ত আদায় করেন। জেলা প্রশাসকের এলার্ট তহবিলের কথা বলে এ টাকা আদায় করা হয়। লাইসেন্স নবায়নকারীরা জানান, ২০২১ সালের জন্য জগন্নাথপুর উপজেলার আগ্নেয়াস্ত্র বন্দুকের লাইসেন্স নবায়নের উদ্যোগ নিলে সোমবার জেলা প্রশাসক কার্যালয় থেকে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সহকারী কমিশনার ভূমি আবদুল মান্নান জগন্নাথপুরে আসেন। নবায়নকারীরা সরকারি ফি ভ্যটসহ ৭৫০০ টাকা ব্যাংকে জমা দিলেও আরো ১৫০০ টাকা অতিরিক্ত চাওয়া হয়। বাধ্য হয়ে বন্দুক নবায়নকারীরা টাকা দিয়ে নবায়ন করেন।
ইসলামি ব্যাংক জগন্নাথপুর শাখা কার্যালয়ের এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করে
বলেন, আগে কখনো এভাবে অতিরিক্ত টাকা আমরা বন্দুকের লাইসেন্স নবায়নে দেইনি। এবার বাধ্য হয়ে অতিরিক্ত ১৫০০ টাকা দিতে হয়েছে।
যুক্তরাজ্য প্রবাসী মনর উদ্দিনের নিকট আত্বীয় রুমেন মিয়া জানান, আমরা বার বার রশিদ দিতে দাবি জানালেও কোন রশিদ না দিয়ে অতিরিক্ত টাকা নেওয়া হয়।
ঘোষগাঁও গ্রামের বন্দুকের লাইসেন্স নজরুল ইসলাম চাচাতো ভাই দিল্লল হক দুলাল বলেন, কোন ধরনের রশিদ না দিয়েই বাধ্য করে সবার কাছ থেকে ১৫০০ টাকা করে অতিরিক্ত টাকা আদায় করা হয়। আমরা প্রতিবাদ করলেও কোন কাজ হয়নি।
এ বিষয়ে জানতে সুনামগঞ্জের সহকারী কমিশনার ভূমি আবদুল মান্নান মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, এ বিষয়ে জেলা প্রশাসকের সঙ্গে কথা বলেন। আমরা জেলা প্রশাসকের নির্দেশ বাস্তবায়নে কাজ করি।
সুনামগঞ্জ জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আবদুল আহাদের মুঠোফোনে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন, ব্যাংকের বাহিরে অতিরিক্ত টাকা আদায়ের সুযোগ নেই। আমি জরুরি মিটিং এ আছি।