সুনামগঞ্জের সম্ভাবনাময় খাত সরাসরি জিডিপিতে ভূমিকা রাখতে পারে

স্টাফ রিপোর্টার
সুনামগঞ্জে ‘টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট (এসডিজি) অর্জনে স্থানীয়করণ ব্যক্তিখাতে বিনিয়োগ পরিকল্পনা এবং উদ্যোক্তা সৃষ্টি ও দক্ষতা উন্নয়ন’ শীর্ষক দিনব্যাপি কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার সকাল থেকে দিনব্যাপি এই কর্মশালা সার্কিট হাউস মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়।
জেলা প্রশাসক মো. সাবিরুল ইসলামের সভাপতিত্বে ও অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মো. কামরুজ্জামান’র সঞ্চালনায় কর্মশালার সূচনা অধিবেশনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে সচিব- ভৌত অবকাঠামো বিভাগ ও পরিকল্পনা কমিশনের সদস্য জুয়েনা আজিজ বলেন,   
‘দেশের প্রত্যেকটি এলাকায় ব্যক্তিগত বিনিয়োগ বৃদ্ধি করে, জাতীয় অগ্রগতিতে সহায়তা করতে হবে।’ প্রকৃতির দানকে কাজে লাগিয়ে সুনামগঞ্জে শিল্প কারখানা গড়ে তোলা সম্ভব উল্লেখ করে তিনি বলেন,‘সুনামগঞ্জ মিঠা পানির ভা-ার, এখানকার মৎস্য সম্পদকে পরিকল্পিত আহরণ এবং লালন করলে উৎপাদন বাড়বে, এলাকার উন্নয়ন ঘটবে, জাতীয় অগ্রগতিতেও সহায়তা হবে। সুনামগঞ্জের দৃষ্টিনন্দন হাওরকে ঘিরে পর্যটন স্পট গড়ে ওঠতে পারে। ধনাঢ্যরা চাইলে বাংলাদেশের ইকোনমিক জোনের জেলাগুলোর মধ্যে অন্যতম হতে পারে সুনামগঞ্জ। সুনামগঞ্জের সম্ভাবনাময় খাত সরাসরি জিডিপিতে ভূমিকা রাখতে পারে।’ তিনি সুনামগঞ্জের জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৗশলীকে হাওরের জেলা সুনামগঞ্জের মিঠাপানি ব্যবহার করে পানির প্লান্ট করার প্রকল্প প্রস্তাবনা তৈরি করে মন্ত্রণালয়ে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
সূচনা অধিবেশনে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন- সিলেটের অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার আজম খান।
কর্মশালায় জেলা পর্যায়ের কর্মকর্তা, ব্যবসায়ী, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি, জনপ্রতিনিধি, সাংবাদিক ও আইনজীবীসহ প্রায় ১০০ জন অংশগ্রহণকারী ছিলেন।